ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, ১৩ জনই নওগাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভারতীয় দূত, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আজ সোমবার জলবায়ূ সহায়ক খাদ্যবর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকিতে কৃষিজমি: মার্কিন গবেষণা ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা গোপালী দিয়া ভইরা গেছে: এমপি মান্নান ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলামকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ছয়টি কমিটি গঠন দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী বর্তমান বিরোধী দল ফ্যাসিস্টের ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল ​প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদের
সংবাদ শিরোনাম ::
সৌদি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, ১৩ জনই নওগাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভারতীয় দূত, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আজ সোমবার জলবায়ূ সহায়ক খাদ্যবর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকিতে কৃষিজমি: মার্কিন গবেষণা ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা গোপালী দিয়া ভইরা গেছে: এমপি মান্নান ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলামকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ছয়টি কমিটি গঠন দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী বর্তমান বিরোধী দল ফ্যাসিস্টের ভাষায় কথা বলতে শুরু করেছে: মির্জা ফখরুল ​প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদের

বিদ্যুৎ উৎপাদনে অর্থনীতি-পরিবেশ-জনস্বার্থকে গুরুত্বের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বড় অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশের ওপর প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ীকে ঘিরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর জোর দেন। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তারেক রহমানকে ‘জনবান্ধব নেতা’ বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার

সফরকালে কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ও পরিচালন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে দেশীয় প্রকৌশলী ও কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করেন তিনি। পরে প্রকল্প এলাকায় একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সৌর ও এলএনজি প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন।

এর মধ্যে ৭০ মেগাওয়াটের প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান ঘুরে দেখেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান।

পরে কোল জেটি পরিদর্শন করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কয়লা পরিবহন ও খালাসের জন্য বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।

প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থানও ঘুরে দেখেন তিনি।

১২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিট রয়েছে। মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রে আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

রোববার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিদ্যুৎ উৎপাদনে অর্থনীতি-পরিবেশ-জনস্বার্থকে গুরুত্বের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১০:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বড় অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশের ওপর প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

রোববার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ীকে ঘিরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়নের ওপর জোর দেন। এসব অবকাঠামোর পরিকল্পিত ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তারেক রহমানকে ‘জনবান্ধব নেতা’ বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার

সফরকালে কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন ও পরিচালন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে দেশীয় প্রকৌশলী ও কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করেন তিনি। পরে প্রকল্প এলাকায় একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সৌর ও এলএনজি প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করেন।

এর মধ্যে ৭০ মেগাওয়াটের প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান ঘুরে দেখেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।

এ ছাড়া প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প ও নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো এবং ভবিষ্যৎ প্রকল্পগুলোর পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান।

পরে কোল জেটি পরিদর্শন করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। কয়লা পরিবহন ও খালাসের জন্য বন্দর অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে এর সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।

প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থানও ঘুরে দেখেন তিনি।

১২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র

মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিট রয়েছে। মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রে আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

রোববার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে মাতারবাড়ী ত্যাগ করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।