ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১৫ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে বাংলাদেশির মরদেহ, স্বজনের খোঁজ নেই জামায়াতের ‘ইতিহাস প্রদর্শনী’ নিয়ে বিতর্ক, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বহির্প্রকাশ সৌদি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, ১৩ জনই নওগাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভারতীয় দূত, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আজ সোমবার জলবায়ূ সহায়ক খাদ্যবর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকিতে কৃষিজমি: মার্কিন গবেষণা ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা গোপালী দিয়া ভইরা গেছে: এমপি মান্নান ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলামকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ছয়টি কমিটি গঠন দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী
সংবাদ শিরোনাম ::
১৫ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে বাংলাদেশির মরদেহ, স্বজনের খোঁজ নেই জামায়াতের ‘ইতিহাস প্রদর্শনী’ নিয়ে বিতর্ক, রাজনৈতিক টানাপোড়েনের বহির্প্রকাশ সৌদি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, ১৩ জনই নওগাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ভারতীয় দূত, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক আজ সোমবার জলবায়ূ সহায়ক খাদ্যবর্জ্য থেকে কম্পোস্ট, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকিতে কৃষিজমি: মার্কিন গবেষণা ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি নারায়ণগঞ্জ জেলা গোপালী দিয়া ভইরা গেছে: এমপি মান্নান ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলামকে পাশে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনে ছয়টি কমিটি গঠন দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার ( ৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রী হলের ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল করে ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে সব ছাত্রীকে যেকোনো হলে প্রবেশ এবং অনুমতিসাপেক্ষে রাতযাপনের সুযোগ দিতে হবে। ছাত্রীদের মা, বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত হল ফি দেওয়ার পরও অনাবাসিক ছাত্রীদের নিজ হলে প্রবেশের সুযোগ নেই। এমনকি বিরতি নেওয়া বা খাবারের জন্যও তারা হলে যেতে পারেন না। আবাসিক ছাত্রীদের মা-বোন বা অন্য হলের ছাত্রীদের প্রবেশেও বিধিনিষেধ রয়েছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের দাবি, পুরুষ হলগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ নেই।

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ঢালাও ব্যবস্থা নয়, ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার দাবি শিক্ষক নেটওয়ার্কের

সংগঠনটির অভিযোগ, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ছাত্রীদের জন্য রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত যে ‘সান্ধ্য আইন’ চালু রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রা শেষে রাতে হলে ফিরলে গেটে অপেক্ষা করা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্ক আরও বলেছে, ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ছাত্রীদের চলাচল সীমিত করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে, তা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।

বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনটির দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো নারী শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন না এবং আবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনে অংশগ্রহণও নানা বিধিনিষেধের কারণে সংকুচিত হয়।

এ ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা নার্সিং কলেজের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের নিয়মের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হলে পরিবারের নারী সদস্য ও বান্ধবীদের প্রবেশের সুযোগ থাকার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্ক বলেছে, এসব বৈষম্য ও দ্বৈতনীতির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন করছেন। তাদের স্বাধীনভাবে চলাচল এবং প্রশাসনের কাছ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঢাবি ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলের দাবি

আপডেট সময় : ০৩:৫০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিলসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক। একই সঙ্গে ছাত্রীদের চলমান আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার ( ৯ আগস্ট) এক বিবৃতিতে শিক্ষক নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছাত্রী হলের ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিল করে ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে সব ছাত্রীকে যেকোনো হলে প্রবেশ এবং অনুমতিসাপেক্ষে রাতযাপনের সুযোগ দিতে হবে। ছাত্রীদের মা, বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত হল ফি দেওয়ার পরও অনাবাসিক ছাত্রীদের নিজ হলে প্রবেশের সুযোগ নেই। এমনকি বিরতি নেওয়া বা খাবারের জন্যও তারা হলে যেতে পারেন না। আবাসিক ছাত্রীদের মা-বোন বা অন্য হলের ছাত্রীদের প্রবেশেও বিধিনিষেধ রয়েছে। শিক্ষক নেটওয়ার্কের দাবি, পুরুষ হলগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধিনিষেধ নেই।

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ঢালাও ব্যবস্থা নয়, ন্যায়সংগত প্রক্রিয়ার দাবি শিক্ষক নেটওয়ার্কের

সংগঠনটির অভিযোগ, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ছাত্রীদের জন্য রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত যে ‘সান্ধ্য আইন’ চালু রয়েছে, তা অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরপাল্লার যাত্রা শেষে রাতে হলে ফিরলে গেটে অপেক্ষা করা, জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যাওয়া কিংবা চিকিৎসার প্রয়োজনে বের হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্ক আরও বলেছে, ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ছাত্রীদের চলাচল সীমিত করার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে, তা প্রশাসনিক ব্যর্থতারই প্রমাণ।

বিবৃতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনটির দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কোনো নারী শিক্ষার্থী সংবাদমাধ্যমে যুক্ত হতে পারেন না এবং আবাসিক নারী শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনে অংশগ্রহণও নানা বিধিনিষেধের কারণে সংকুচিত হয়।

এ ক্ষেত্রে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা নার্সিং কলেজের নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলের নিয়মের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষক নেটওয়ার্ক। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের হলে পরিবারের নারী সদস্য ও বান্ধবীদের প্রবেশের সুযোগ থাকার কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষক নেটওয়ার্ক বলেছে, এসব বৈষম্য ও দ্বৈতনীতির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্দোলন করছেন। তাদের স্বাধীনভাবে চলাচল এবং প্রশাসনের কাছ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে চলমান এই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়েছে সংগঠনটি।