সাবেক ২ রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ জমা পড়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
আজাদি পার্টি একই অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের নামও অন্তর্ভুক্ত করেছে।
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
অভিযোগ জমা দেওয়ার পর আজাদি পার্টির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন সময়ে হত্যা, গুমসহ নানা ঘটনায় সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি কোনো প্রতিবাদ করেননি। তাদের নীরবতাকে এসব ঘটনার প্রতি ‘মৌন সম্মতি’ হিসেবে দেখছে দলটি।
দলটির প্রধান সংগঠক মুন্সি বোরহান মাহমুদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন এবং কথিত ‘আয়নাঘর’সহ বিভিন্ন ঘটনার সময় আবদুল হামিদ ও সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন। তার দাবি, তারা তৎকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়েছেন এবং এসব ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম শুধু মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস অভিযোগে বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি তাকে মহাখালী থেকে তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রাখা হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ সরকার খতিয়ে দেখছে: আইনমন্ত্রী
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে সাহাবুদ্দিন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ, নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনায় ভূমিকা রেখেছেন। এসব অভিযোগ তদন্ত করে বিচারের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত ঘটনায় সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনগত দায় আছে কি না, তা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।



















