ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমঝোতার আশায় বুধবার এশিয়ার বাজারে তেলের দাম কমেছে এবং শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ওয়াল স্ট্রিটও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল শিগগিরই স্বাভাবিক হতে পারে। ফক্স নিউজের ‘@ Night’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের সারাদিন আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে যাবে। তবে তারা যদি আবার পিছু হটে, তাহলে খুব কঠোরভাবে জবাব দেওয়া হবে।’ হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি হতে পারে বুধবারের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বড় ধরনের হামলার হুমকি ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার দিয়েছেন। আবার বিভিন্ন সময় আলোচনায় অগ্রগতির কথাও বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত সেই আলোচনা সংঘাত বন্ধ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দুটি আঞ্চলিক সূত্র ও একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন বুধবারই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে চায়। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম একটি অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতদিন ইরানকে হুমকি দিতে থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হতো। ইরান যুদ্ধে ‘প্রায় সব’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলছে কাতারও যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প যে তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন— ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়া, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলার সক্ষমতা কমানো এবং দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জনবিদ্রোহের পরিবেশ তৈরি— তার কোনোটিই এখনো অর্জিত হয়নি। এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালিতে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ বহাল রেখেছে। এর আগে কাতার জানিয়েছিল, তেহরান প্রকাশ্যে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করলেও মধ্যস্থতাকারীরা সংঘাতের অবসান ঘটাতে অগ্রগতি অর্জন করছেন। ইরান ইস্যুতে এখনো যে বড় ভুলটি করেননি ট্রাম্প মঙ্গলবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। কাতারের আমিরি দপ্তর জানিয়েছে, দুই নেতা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতপার্থক্য কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সম্ভাবনা বাড়ানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত রুট এমনভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে ইরান ও ওমান— উভয় দেশের সার্বভৌম অধিকার ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে ইরান। তাদের দাবি, বিপরীত তীরের দেশ ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকা উচিত। তবে গত সপ্তাহে ওমানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। ওই প্রস্তাবে যৌথ তদারকি এবং জাহাজ থেকে স্বেচ্ছা ফি আদায়ের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছিল। সমঝোতায় আসাটাই শেষ সুযোগ, ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম লোহিত সাগরেও উত্তেজনা এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধও বহাল রেখেছে। এতে তেল রপ্তানির পথ আরও সংকুচিত হয়েছে। ইয়েমেন উপকূলের কাছে একটি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর সেটি ডুবে যায়। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ইয়েমেন এ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে ৬৪টি ঘটনার মধ্যে অন্তত ১৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। ইরানকে শায়েস্তা করতে সেনাদের কাছেই ‘সৃজনশীল’ কৌশল চাইল মার্কিন সেনাবাহিনী অন্যদিকে ইরান সরকারের হিসাবে জুনের শেষ দিকে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর মার্কিন হামলায় দেশটিতে ৫০ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। পরে তেহরান আরও জানায়, জুলাইয়ের শেষ দিকে কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এ সংঘাতে তাদের ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। জুলাই যোদ্ধাদের ওপর ‘হামলা’র অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ত্যাগ আখতারের তথ্যচিত্রে অসঙ্গতির অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে হট্টগোল ঢাকাসহ ১২ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেমি ওপরে: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত সংবিধান পর্যালোচনা করবে বিশেষ সংসদীয় কমিটি, ভিত্তি জুলাই সনদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ৭০: তদন্ত কমিটি গঠন পাকিস্তানে আল-জাজিরা নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষক কার্ডের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সংবাদ শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমঝোতার আশায় বুধবার এশিয়ার বাজারে তেলের দাম কমেছে এবং শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ওয়াল স্ট্রিটও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল শিগগিরই স্বাভাবিক হতে পারে। ফক্স নিউজের ‘@ Night’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের সারাদিন আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে যাবে। তবে তারা যদি আবার পিছু হটে, তাহলে খুব কঠোরভাবে জবাব দেওয়া হবে।’ হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি হতে পারে বুধবারের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বড় ধরনের হামলার হুমকি ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার দিয়েছেন। আবার বিভিন্ন সময় আলোচনায় অগ্রগতির কথাও বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত সেই আলোচনা সংঘাত বন্ধ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দুটি আঞ্চলিক সূত্র ও একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন বুধবারই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে চায়। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম একটি অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতদিন ইরানকে হুমকি দিতে থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হতো। ইরান যুদ্ধে ‘প্রায় সব’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলছে কাতারও যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প যে তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন— ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়া, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলার সক্ষমতা কমানো এবং দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জনবিদ্রোহের পরিবেশ তৈরি— তার কোনোটিই এখনো অর্জিত হয়নি। এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালিতে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ বহাল রেখেছে। এর আগে কাতার জানিয়েছিল, তেহরান প্রকাশ্যে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করলেও মধ্যস্থতাকারীরা সংঘাতের অবসান ঘটাতে অগ্রগতি অর্জন করছেন। ইরান ইস্যুতে এখনো যে বড় ভুলটি করেননি ট্রাম্প মঙ্গলবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। কাতারের আমিরি দপ্তর জানিয়েছে, দুই নেতা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতপার্থক্য কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সম্ভাবনা বাড়ানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত রুট এমনভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে ইরান ও ওমান— উভয় দেশের সার্বভৌম অধিকার ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে ইরান। তাদের দাবি, বিপরীত তীরের দেশ ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকা উচিত। তবে গত সপ্তাহে ওমানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। ওই প্রস্তাবে যৌথ তদারকি এবং জাহাজ থেকে স্বেচ্ছা ফি আদায়ের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছিল। সমঝোতায় আসাটাই শেষ সুযোগ, ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম লোহিত সাগরেও উত্তেজনা এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধও বহাল রেখেছে। এতে তেল রপ্তানির পথ আরও সংকুচিত হয়েছে। ইয়েমেন উপকূলের কাছে একটি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর সেটি ডুবে যায়। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ইয়েমেন এ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে ৬৪টি ঘটনার মধ্যে অন্তত ১৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। ইরানকে শায়েস্তা করতে সেনাদের কাছেই ‘সৃজনশীল’ কৌশল চাইল মার্কিন সেনাবাহিনী অন্যদিকে ইরান সরকারের হিসাবে জুনের শেষ দিকে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর মার্কিন হামলায় দেশটিতে ৫০ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। পরে তেহরান আরও জানায়, জুলাইয়ের শেষ দিকে কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এ সংঘাতে তাদের ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। জুলাই যোদ্ধাদের ওপর ‘হামলা’র অভিযোগ, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ত্যাগ আখতারের তথ্যচিত্রে অসঙ্গতির অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে হট্টগোল ঢাকাসহ ১২ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেমি ওপরে: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত সংবিধান পর্যালোচনা করবে বিশেষ সংসদীয় কমিটি, ভিত্তি জুলাই সনদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত ৭০: তদন্ত কমিটি গঠন পাকিস্তানে আল-জাজিরা নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষক কার্ডের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সৌরবিদ্যুৎ-সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপুল তার বক্তব্যে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। এগুলো হলো— দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন, সোলার ইনভার্টার উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের জন্য সৌরবিদ্যুৎকে আরও সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও লাভজনক করে তুলতে একটি কার্যকর অর্থনৈতিক মডেল প্রণয়ন।

হাসান শিপুল জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে বঙ্গভবন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভবন, পরিকল্পনা কমিশন ভবনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ বাড়বে। সে কারণেই বিভিন্ন সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এবং ওয়ালটন গ্রুপ আবাসিক ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, গ্রুপটির সোলার ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বিভাগের এজিএম তওহিদুল আহাদ এবং ওয়ালটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মঙ্গলবার সারাদিন ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তার এই মন্তব্যে পাঁচ মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান শিগগিরই হতে পারে— এমন আশাবাদ নতুন করে জোরালো হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সম্ভাব্য সমঝোতার আশায় বুধবার এশিয়ার বাজারে তেলের দাম কমেছে এবং শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ওয়াল স্ট্রিটও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীদের ধারণা, অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল শিগগিরই স্বাভাবিক হতে পারে। ফক্স নিউজের ‘@ Night’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের সারাদিন আলোচনা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে যাবে। তবে তারা যদি আবার পিছু হটে, তাহলে খুব কঠোরভাবে জবাব দেওয়া হবে।’ হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তি হতে পারে বুধবারের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে বড় ধরনের হামলার হুমকি ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার দিয়েছেন। আবার বিভিন্ন সময় আলোচনায় অগ্রগতির কথাও বলেছেন। তবে এখন পর্যন্ত সেই আলোচনা সংঘাত বন্ধ করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস দুটি আঞ্চলিক সূত্র ও একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ওমানের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন বুধবারই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে চায়। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম একটি অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যতদিন ইরানকে হুমকি দিতে থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হতো। ইরান যুদ্ধে ‘প্রায় সব’ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অগ্রগতির কথা বলছে কাতারও যুদ্ধ শুরুর সময় ট্রাম্প যে তিনটি প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন— ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ভেঙে দেওয়া, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলার সক্ষমতা কমানো এবং দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে জনবিদ্রোহের পরিবেশ তৈরি— তার কোনোটিই এখনো অর্জিত হয়নি। এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালিতে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ বহাল রেখেছে। এর আগে কাতার জানিয়েছিল, তেহরান প্রকাশ্যে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করলেও মধ্যস্থতাকারীরা সংঘাতের অবসান ঘটাতে অগ্রগতি অর্জন করছেন। ইরান ইস্যুতে এখনো যে বড় ভুলটি করেননি ট্রাম্প মঙ্গলবার কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। কাতারের আমিরি দপ্তর জানিয়েছে, দুই নেতা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতপার্থক্য কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের সম্ভাবনা বাড়ানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার মূল লক্ষ্য নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত রুট এমনভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, যাতে ইরান ও ওমান— উভয় দেশের সার্বভৌম অধিকার ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে ইরান। তাদের দাবি, বিপরীত তীরের দেশ ওমানের সঙ্গে যৌথভাবে এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকা উচিত। তবে গত সপ্তাহে ওমানের একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। ওই প্রস্তাবে যৌথ তদারকি এবং জাহাজ থেকে স্বেচ্ছা ফি আদায়ের ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছিল। সমঝোতায় আসাটাই শেষ সুযোগ, ইরানকে ট্রাম্পের আলটিমেটাম লোহিত সাগরেও উত্তেজনা এদিকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা লোহিত সাগরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধও বহাল রেখেছে। এতে তেল রপ্তানির পথ আরও সংকুচিত হয়েছে। ইয়েমেন উপকূলের কাছে একটি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর সেটি ডুবে যায়। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন নাবিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। ইয়েমেন এ হামলার জন্য হুতিদের দায়ী করেছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে ৬৪টি ঘটনার মধ্যে অন্তত ১৭ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। ইরানকে শায়েস্তা করতে সেনাদের কাছেই ‘সৃজনশীল’ কৌশল চাইল মার্কিন সেনাবাহিনী অন্যদিকে ইরান সরকারের হিসাবে জুনের শেষ দিকে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর মার্কিন হামলায় দেশটিতে ৫০ জন নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়েছেন। পরে তেহরান আরও জানায়, জুলাইয়ের শেষ দিকে কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় এক দম্পতি ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ৩ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে তেহরান। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এ সংঘাতে তাদের ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ ৩ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:১৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিসহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৩ আগস্ট) সচিবালয়ে সৌরবিদ্যুৎ-সংক্রান্ত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপুল তার বক্তব্যে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। এগুলো হলো— দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন, সোলার ইনভার্টার উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে সরকারি সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের জন্য সৌরবিদ্যুৎকে আরও সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও লাভজনক করে তুলতে একটি কার্যকর অর্থনৈতিক মডেল প্রণয়ন।

হাসান শিপুল জানান, বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে বঙ্গভবন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ভবন, পরিকল্পনা কমিশন ভবনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুরু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ বাড়বে। সে কারণেই বিভিন্ন সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ এবং ওয়ালটন গ্রুপ আবাসিক ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে। প্রতিষ্ঠান দুটি জানায়, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, গ্রুপটির সোলার ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ বিভাগের এজিএম তওহিদুল আহাদ এবং ওয়ালটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম উপস্থিত ছিলেন।