সরকার বাঁধনকে কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে: হুমায়ুন কবির
- আপডেট সময় : ০১:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, বাঁধন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার পর বিষয়টি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের পর এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
হুমায়ুন কবির জানান, রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিলানে বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল বাঁধনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাঁধন ইতালির পুলিশের পাশাপাশি বাংলাদেশ দূতাবাসেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করবেন। এরপর দূতাবাসের মাধ্যমে বিষয়টি ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইতালীয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পাশাপাশি বাঁধনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংসদে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তিনি বাঁধনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় পুলিশও ঘটনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানান তিনি।
এর আগে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য জহরত আদিব চৌধুরী ও এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন পয়েন্ট অব অর্ডারে বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান।
জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, হামলাকারীদের ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী হবে, তা জানতে চান তিনি।
আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের হেনস্তা ও হামলা করছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে সরকারের পরিকল্পনা কী, তা জানতে চান তিনি।
ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলাকে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অত্যন্ত নিন্দনীয় ও অমার্জনীয় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি একে নির্মমতার চরম বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন।
এর আগে ইতালির মেস্ত্রে শহরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অবস্থানকালে বাঁধন হামলা ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, হামলাকারীরা তাঁকে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।




















