পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ হকারি করতে পারবেন না: ডিএসসিসি প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৫:৫১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীতে ভবিষ্যতে পরিচয়পত্র ছাড়া কোনো হকার থাকবেন না এবং নির্ধারিত স্থানের বাইরে কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকায় পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ হকারি করতে পারবেন না। তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে এবং নির্ধারিত এলাকার বাইরে ব্যবসা করা যাবে না।
তিনি বলেন, রাস্তার ওপর হকার বসতে দেওয়া হবে না। তবে প্রশস্ত ফুটপাতের কিছু অংশে তাদের বসার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া শুক্র ও শনিবার হলিডে মার্কেট এবং অফিস সময়ের পর মতিঝিলে নাইট মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্থানে হকারদের জন্য টয়লেট ও পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, ঢাকা কলেজ ও গ্রিনরোড এলাকার পানি নিষ্কাশনের একটি পুরোনো পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি পুনরায় কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ কাজ এক-দুই মাসে শেষ করা সম্ভব নয়।
আবদুস সালাম বলেন, পুরান ঢাকার অনেক ড্রেন পুরোনো ও ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। ড্রেন ও খাল পরিষ্কারের কাজ চললেও বর্ষার কারণে খননকাজে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ছাড়া ড্রেনে পলিথিনসহ নানা ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ডেঙ্গু প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, যেসব ব্যক্তিগত জায়গায় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা প্রবেশ করতে পারেন না, সেসব স্থানে সংশ্লিষ্ট মালিক বা ব্যবহারকারীকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়টিও ডিএসসিসির ভাবনায় রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বিচারে এসব রিকশা যেন চলাচল করতে না পারে, সে জন্য অঞ্চলভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্দিষ্ট অঞ্চলের রিকশা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যেই চলবে। পাশাপাশি কিছু সড়কে রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
ঢাকার সমস্যা সমাধানে শুধু সিটি করপোরেশন নয়, ওয়াসা, রাজউক, বিদ্যুৎসহ নগরসেবার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন আবদুস সালাম। বলেন, বিভিন্ন উন্নয়নকাজে রাস্তা কাটার পর সঠিক সময়ে তা মেরামত না হওয়ায় সিটি করপোরেশনকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তাই নগর ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা চলছে।




















