ফরিদা আখতারের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- আপডেট সময় : ১১:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
বেক্সিমকোর দৈনিক মুক্তকণ্ঠ’র প্রয়াত সাংবাদিক লেখক কবি ফরিদা আখতার খানের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এদিনে তাঁকে গভীর ভালোবাসায় স্মরণ এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা। ২০০৮ সালের এদিনে মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।
ফরিদা আখতার খান মানিকগঞ্জের চারিগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও সাংস্কৃতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বিশিষ্ট মওলানা গোলাম রাজ্জাক খান। চাচা শিশু সাহিত্যিক কবি খান মোহাম্মদ মইনুদ্দিন। ফরিদা আখতার খানের ভাই সিদ্দিকুর রহমান খান অলি (সিদ্দিক মাস্টার) ছিলেন বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা। অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান খান ঢাকার অদূরে নবাবগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১২ নভেম্বর তিনি তার কর্মস্থলে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
বাংলাসাহিত্যে স্নাতকোত্তর ফরিদা আখতার খানের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি হয়েছিল সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকার মাধ্যমে। কাজ করেছেন দৈনিক নব অভিযান, রুপালী, লাল সবুজ, মুক্তকন্ঠের ফিচার বিভাগে। প্রদায়ক ছিলেন সাপ্তাহিক বিচিত্রা,পূর্বাণী, পাক্ষিক যোগাযোগ বার্তাসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, অনুপ্রাস, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র, সাব এডিটরস কাউন্সিল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়াও তিনি কাজ করেছেন বার্তা সংস্থা ইউএনবির সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে, বাংলাদেশ টেলিভিশনে সংবাদ বিভাগেও। তার সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল দৈনিক ডেসটিনি।
কাব্য, সাহিত্য সংস্কৃতি, লেখালেখি,নসাংবাদিকতায় ব্যস্ত থেকেও পরিবারে রেখেছেন সক্রিয় ভূমিকা।পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি সিদ্দিকুর রহমান খান আততায়ীর হাতে নিহত হওয়ার মাত্র দুই মাস আগে তার বাবাও মৃত্যুবরন করেন। বাবা আর ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে সংসারে মা আর ছোট দুই ভাই বোনকে ছায়ার মতো আগলে রাখায় আর বিয়ে করেননি তিনি। ত্যাগী এই সাংবাদিকের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সবার দোয়া চেয়েছেন তার ছোট বোন দিলরুবা খান এবং ভাই শাহেদুর রহমান খান ইমরোজ।






















