কোরবানির ৮ ঘণ্টার মধ্যেই বর্জ্য অপসারিত হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র ঈদুল আজহায় পশু কোরবানি শেষ হওয়ার ৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকা সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রশাসক আবদুস সালাম।
বুধবার (২০ মে) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডস্থ সবজি বাগান সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) সৌন্দর্যবর্ধন ও ল্যান্ডস্ক্যাপিং কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুস সালাম বলেন, ইজারাদারদের এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিএসসিসির নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রয়েছে। ঈদের দিন ও তার আগের রাত থেকেই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হবে। ইনশাআল্লাহ, কোরবানি শেষ হওয়ার ৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকা সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হবে।
প্রশাসক জানান, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১১টি পশুর হাট বসানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতা ও নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাটে একটি করে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। গবাদিপশু ও মানুষের জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য মেডিকেল টিম ও ডাক্তার নিয়োজিত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের বিশেষ টহল দায়িত্ব পালন করবে।
আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডিএসসিসি এখন থেকেই প্রস্তুত জানিয়ে প্রশাসক বলেন, প্রতিটি এলাকায় জরিপ চালানো হচ্ছে এবং যেখানে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি, সেখানে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিশেষ কার্যক্রম চলছে। তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা যার যার বাড়ি, আঙিনা ও ড্রেন পরিষ্কার রাখুন। কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
মশক নিধনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের
এসটিএস আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একসময় দুর্গন্ধের কারণে যেসব জায়গায় কেউ এসটিএস নির্মাণ করতে দিতে চাইত না, আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এখন আমরা সেখানে দুর্গন্ধ দূর করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি। ইতোমধ্যে তিনটি এসটিএস-কে দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো এসটিএস-কে এভাবে রূপান্তর করে নগরবাসীকে একটি নান্দনিক পরিবেশ উপহার দেওয়া হবে।
জনগণের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা, বায়ুদূষণ ও যানজট মুক্ত রাখা আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। একা সিটি করপোরেশন বা প্রশাসকের পক্ষে এটি সম্ভব নয়। জনগণ পাশে থাকলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকা শহরের চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিনিয়ত ঢাকা শহরের খোঁজখবর রাখছেন। পার্ক, খাল ও নগরীর বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তিনি আমাদের সাথে আলোচনা করছেন। সরকারপ্রধান নিজে সচেতন ও দূরদর্শী হওয়ায় আমাদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

















