ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, আইনের খসড়া অনুমোদন মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন, একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ জিনপিংয়ের সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির ২০২৭ সালের এসএসসির রুটিন প্রকাশ সালমান শাহ হত্যা: অভিনেতা ডনকে ৭ দিনের রিমান্ডে চেয়েছে সিআইডি ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, বলটি বিক্রি হলো ৩৩ লাখ ডলারে দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর পালটা প্রশ্ন— ‘কে নিউজ করছে? কার এত জ্বালা? প্রস্তুতি শেষ হলেই স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ‘ঝাঁপ দেবো’: সিইসি ৬ অক্টোবর ব্রাজিল-বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচ হতে পারে : বাফুফে সভাপতি রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: ২ আসামির স্বীকারোক্তি
সংবাদ শিরোনাম ::
ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, আইনের খসড়া অনুমোদন মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন, একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ জিনপিংয়ের সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতির ২০২৭ সালের এসএসসির রুটিন প্রকাশ সালমান শাহ হত্যা: অভিনেতা ডনকে ৭ দিনের রিমান্ডে চেয়েছে সিআইডি ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’, বলটি বিক্রি হলো ৩৩ লাখ ডলারে দ্বৈত নাগরিকত্ব’ নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর পালটা প্রশ্ন— ‘কে নিউজ করছে? কার এত জ্বালা? প্রস্তুতি শেষ হলেই স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ‘ঝাঁপ দেবো’: সিইসি ৬ অক্টোবর ব্রাজিল-বাংলাদেশ প্রীতি ম্যাচ হতে পারে : বাফুফে সভাপতি রংপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: ২ আসামির স্বীকারোক্তি

মতপার্থক্য’ থাকলেও বাণিজ্য এগিয়ে নেয়ার বার্তা দীনেশ ত্রিবেদীর

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তার প্রভাব যেন দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে না পড়ে— এমন বার্তা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের বিষয়ই রয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে সাধারণ মানুষের অগ্রাধিকার ভিন্ন। তারা চাকরি, উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, ভালো যোগাযোগব্যবস্থা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চায়।

এসব চাহিদা পূরণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো ও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আসুন, আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।

দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও স্থায়ী করতে পারস্পরিক নির্ভরতার ওপরও জোর দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, বাংলাদেশ যেমন উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের ওপর নির্ভর করতে পারে, তেমনি ভারতেরও বাংলাদেশের প্রয়োজন রয়েছে। এই পারস্পরিক নির্ভরতা দুই দেশের মানুষের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করতে পারে।

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো পক্ষকে বড় বা ছোট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে সমতা ও পারস্পরিক সম্মান।

ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে দেখছেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশেই বিপুলসংখ্যক তরুণ রয়েছেন, যাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

শান্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্পর্কও তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মূলত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জীবন চায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথও সহজ হয়। তাই দুই দেশের নীতিনির্ধারণে তরুণদের ভবিষ্যৎকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে পোশাকশিল্পের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের সক্ষমতা একসঙ্গে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মূলত রাজনৈতিক সম্পর্কের জটিলতার বাইরে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক আলোচনা ও মতপার্থক্য চলতে পারে, কিন্তু সাধারণ মানুষের স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ বন্ধ রাখা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মতপার্থক্য’ থাকলেও বাণিজ্য এগিয়ে নেয়ার বার্তা দীনেশ ত্রিবেদীর

আপডেট সময় : ০১:০৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তার প্রভাব যেন দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে না পড়ে— এমন বার্তা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের বিষয়ই রয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে সাধারণ মানুষের অগ্রাধিকার ভিন্ন। তারা চাকরি, উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, ভালো যোগাযোগব্যবস্থা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চায়।

এসব চাহিদা পূরণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো ও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘আসুন, আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।

দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও স্থায়ী করতে পারস্পরিক নির্ভরতার ওপরও জোর দেন দীনেশ ত্রিবেদী। তার মতে, বাংলাদেশ যেমন উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের ওপর নির্ভর করতে পারে, তেমনি ভারতেরও বাংলাদেশের প্রয়োজন রয়েছে। এই পারস্পরিক নির্ভরতা দুই দেশের মানুষের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করতে পারে।

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো পক্ষকে বড় বা ছোট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ এবং সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে সমতা ও পারস্পরিক সম্মান।

ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুই দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে দেখছেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি বলেন, উভয় দেশেই বিপুলসংখ্যক তরুণ রয়েছেন, যাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

শান্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্পর্কও তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মূলত শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জীবন চায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথও সহজ হয়। তাই দুই দেশের নীতিনির্ধারণে তরুণদের ভবিষ্যৎকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে পোশাকশিল্পের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে এই খাতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দুই দেশের সক্ষমতা একসঙ্গে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যে মূলত রাজনৈতিক সম্পর্কের জটিলতার বাইরে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তাঁর মতে, রাজনৈতিক আলোচনা ও মতপার্থক্য চলতে পারে, কিন্তু সাধারণ মানুষের স্বার্থে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ বন্ধ রাখা উচিত নয়।