ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন, আইনের খসড়া অনুমোদন
- আপডেট সময় : ০৬:০০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া প্রণয়ন করেছে সরকার। ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’ শিরোনামের আইনের সে খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে আইনটির খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
খসড়া আইনে বলা হয়েছে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পুলিশ বাহিনীর অধীনে পরিচালিত হবে। পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করবেন। আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯-এর অধীনে গঠিত এপিবিএনকে আরও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশটি যুগোপযোগী করে বাংলায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। খসড়া আইনটি জনমত যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের উল্লেখযোগ্য কিছু বৈশিষ্ট্য হলো—
বিদ্যমান দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯ রহিত করে এর অধীনে পরিচালিত কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিধান রেখে বাংলায় আইনটি যুগোপযোগী করা হয়েছে;পুলিশ বাহিনীর অধীন এ ব্যাটালিয়ন পুলিশের একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে;এ ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, সরকারঘোষিত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা দেওয়া, সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে;ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন প্রতিপালনসাপেক্ষে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে;এ আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং বিচার পদ্ধতির প্রস্তাব করা হয়েছে।
সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়, মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।



















