নুসরাত হত্যা মামলা: ১৬ জনকে ফাঁসি দেয়া বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সব আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় ফেনীর তৎকালীন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
রায়ে আদালত বলেন, বিচারিক আদালত এভাবে নির্বিচারে ফাঁসি দেওয়ার কারণে প্রতিটি পরিবারের ওপর যে ‘ডিভাস্টেটিং ইফেক্ট’ বা বিপর্যয় নেমে এসেছে, তার দায় বিবেচনায় বিচারক মামুনুর রশিদের বিচারিক ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নুসরাত হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষে একই বেঞ্চ এর আগে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা দুজন হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামীম।
অন্যদিকে চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন উম্মে সুলতানা পপি, মোহাম্মদ নুরুদ্দিন, শাহাদাত হোসেন জাবেদ ও ইফতেখার হোসেন রানা।
মামলায় ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন মোহাম্মদ শামীম, রুহুল আমিন, আফসার উদ্দিন, মাকসুদ কাউন্সিলর, হাফেজ আব্দুল কাদের, আব্দুর রহিম শরীফ, ইমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল ও কামরুন নাহার মনি।
আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার এস এম মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমিন, অ্যাডভোকেট আদনান ইয়াজদানী ও ব্যারিস্টার আল মামুন।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।




















