ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি হিসাবে সন্ধ্যায় শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির এই প্রার্থী ২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুলকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। এর মধ্য দিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯টি ভোটের মধ্যে ২৫৫টি পড়েছে মির্জা ফখরুলের পক্ষে। অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট নেওয়া হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। এরপর নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোটের নিয়ম ও নির্দেশনা তুলে ধরেন।

প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল, সংসদ নেতা তারেক রহমান, প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ভোট দেন।

সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার সময় অনেককে হাসিমুখে ছবি তুলতেও দেখা যায়। প্রথম দেড় ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় সব ভোট পড়ে গেলেও নিয়ম অনুযায়ী বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চালু রাখা হয়।

ভোট শেষ হওয়ার পর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ফল ঘোষণা করা হয়। মির্জা ফখরুলের নাম ঘোষণার পর সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা করতালি ও টেবিল চাপড়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান তাঁকে গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের নেতারা এগিয়ে এলে মির্জা ফখরুলও নিজের আসন ছেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাসে ১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হলো। সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মধ্যে ভোট হয়েছিল। এরপর টানা সাতটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

রাষ্ট্রপতি হিসাবে সন্ধ্যায় শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৯:১৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির এই প্রার্থী ২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুলকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। এর মধ্য দিয়ে ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ৩৪৯টি ভোটের মধ্যে ২৫৫টি পড়েছে মির্জা ফখরুলের পক্ষে। অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। ছয়জন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট নেওয়া হয়। কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। এরপর নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোটের নিয়ম ও নির্দেশনা তুলে ধরেন।

প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল, সংসদ নেতা তারেক রহমান, প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ভোট দেন।

সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার সময় অনেককে হাসিমুখে ছবি তুলতেও দেখা যায়। প্রথম দেড় ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় সব ভোট পড়ে গেলেও নিয়ম অনুযায়ী বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চালু রাখা হয়।

ভোট শেষ হওয়ার পর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে ফল ঘোষণা করা হয়। মির্জা ফখরুলের নাম ঘোষণার পর সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা করতালি ও টেবিল চাপড়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান তাঁকে গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের নেতারা এগিয়ে এলে মির্জা ফখরুলও নিজের আসন ছেড়ে তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইতিহাসে ১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হলো। সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থীর মধ্যে ভোট হয়েছিল। এরপর টানা সাতটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন করে প্রার্থী থাকায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি।