ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০২৮ সালের মধ্যে নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধ: প্রতিমন্ত্রী

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে কিন্ডারগার্টেন পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাতে হলে নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না নিলে দেশের সব কিন্ডারগার্টেন স্কুল ২০২৮ সালের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পিটিআই কনফারেন্স হলে ‘প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা’ নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কিন্ডারগার্টেনগুলোকেও নিয়মের আওতায় আনা হবে। সব কিন্ডারগার্টেনকে নিবন্ধন নিয়ে পরিচালনা করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কেউ নিবন্ধন না নেয়, তাহলে কিন্ডারগার্টেন পরিচালনা করতে পারবে না। ২০২৮ সালের মধ্যে সব অনিবন্ধিত কিন্ডারগার্টেন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দিকেও সরকার নজর দেবে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামো ও শিক্ষা কার্যক্রম সরকারের নজরদারির আওতায় আসবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা, কর্মপরিবেশ ও জবাবদিহিতাকে এই নীতিমালায় গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ওই কর্মশালার পর আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিল। আদালতের রায়ের পর সেই জটিলতা কেটে গেছে। ফলে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ সুগম হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ফলে সহকারী শিক্ষকদের যেসব পদ শূন্য হবে, সেসব পদে নতুন করে সহকারী শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নুরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

২০২৮ সালের মধ্যে নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধ: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

দেশে কিন্ডারগার্টেন পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালাতে হলে নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না নিলে দেশের সব কিন্ডারগার্টেন স্কুল ২০২৮ সালের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পিটিআই কনফারেন্স হলে ‘প্রাথমিক শিক্ষার রূপান্তর ও কর্মপরিকল্পনা’ নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে কিন্ডারগার্টেনগুলোকেও নিয়মের আওতায় আনা হবে। সব কিন্ডারগার্টেনকে নিবন্ধন নিয়ে পরিচালনা করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কেউ নিবন্ধন না নেয়, তাহলে কিন্ডারগার্টেন পরিচালনা করতে পারবে না। ২০২৮ সালের মধ্যে সব অনিবন্ধিত কিন্ডারগার্টেন বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর দিকেও সরকার নজর দেবে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ, অবকাঠামো ও শিক্ষা কার্যক্রম সরকারের নজরদারির আওতায় আসবে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা, কর্মপরিবেশ ও জবাবদিহিতাকে এই নীতিমালায় গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ওই কর্মশালার পর আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার কারণে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ ছিল। আদালতের রায়ের পর সেই জটিলতা কেটে গেছে। ফলে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ সুগম হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ফলে সহকারী শিক্ষকদের যেসব পদ শূন্য হবে, সেসব পদে নতুন করে সহকারী শিক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষা চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নুরুল ইসলাম।