জ্বালানি সমস্যার সমাধানে অন্তত ২ বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
চলমান জ্বালানি সমস্যার সমাধানে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। ছয় মাস কিংবা এক বছরে এর সমাধান হবে না। ন্যূনতম দুই বছর লাগবে।
এর কারণ হিসেবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল তৈরি করতেও দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবে। ফলে এর আগে সমস্যার সমাধান হবে না।
রোববার দুপুরে (১৬ আগস্ট) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নীতি সংস্কার ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনার বিষয়ে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। সভায় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গ্যাস ও বিদ্যুৎ ছাড়া অর্থনীতি এগোতে পারে না। তবে সম্ভাব্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যায়, আমরা দ্রুত সেসব নিচ্ছি। দীর্ঘ সময় গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়নি। এখন সেটা করা হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ হচ্ছে, কয়লা নিয়ে কাজ হচ্ছে।
‘কোন ধরনের জ্বালানি কত পরিমাণ লাগবে, তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জ্বালানি নীতি প্রকাশ করা হবে। এতে মানুষ জানতে পারবে, কী করতে হবে। আগামী দুই বছর আমাদের সাবধান থাকতে হবে,’ বলেন আমীর খসরু।
অর্থমন্ত্রী সরকারের রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, ‘বাস্তবায়ন ও নীতি বিভাগ আলাদা করা হবে। আমরা রাজস্ব আদায়ের পরিধি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট হারে করারোপ করা হবে। সেটার জন্য তথ্যভান্ডার তৈরি হচ্ছে।’
সভায় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অর্থমন্ত্রী। শেয়ারবাজার নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘শেয়ারবাজার নিয়ে সতর্কসংকেত পাচ্ছিলাম। এরপর সেখানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আমাদের আরও বেশি তালিকাভুক্ত কোম্পানি দরকার।
ব্যাংক খাত নিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ব্যাংক খাতে মারাত্মক মূলধনের ঘাটতি আছে। এটা এত বেশি যে সরকারের পক্ষে পূরণ করার মতো নয়। খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই অর্থায়নের বিকল্প উৎস দরকার।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যামচেম সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘শুধু চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা নয়, আমরা সমাধানের অংশ হতে চাই। তাই ব্যবসায়ীদের আত্মবিশ্বাস তৈরিতে এই আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন আরও আয়োজন করা হবে।’



















