ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তীব্র গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ, ২০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ তিন সচিব পদে রদবদল মন্ত্রিসভায় নতুন করে পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, মিল্লাত পূর্ণমন্ত্রী শপথগ্রহণের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতে রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সফর: অভ্যর্থনার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রত্যাহার করল ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর রোববার, ঢাকা বলছে সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্স নতুন রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে অংশ নেবে: রিজভী
সংবাদ শিরোনাম ::
তীব্র গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ, ২০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ তিন সচিব পদে রদবদল মন্ত্রিসভায় নতুন করে পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, মিল্লাত পূর্ণমন্ত্রী শপথগ্রহণের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতে রাষ্ট্রপতি শপথ নিলেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সফর: অভ্যর্থনার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রত্যাহার করল ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর রোববার, ঢাকা বলছে সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্স নতুন রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে অংশ নেবে: রিজভী

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এতে বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যদিও সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছিল।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে তালিকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তালিকায় যেসব এজেন্সি রয়েছে- বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড, বেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট, জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি, মেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস, অ্যানেসা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড, আর্থ-স্মার্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, খান জাহান আলী ওভারসিজ, মেসার্স আল-শোতুপ ওভারসিজ , মাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড, রিফা ইন্টারন্যাশনাল, ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল, আল-হায়াত ওভারসিজ, ভালুকা ওভারসিজ, ব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কন্ট্রাক্টিং লিমিটেড, চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল, কান্ট্রি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি, গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড, জুয়েল রিঙ্কু এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিঙ্ক, নেবারস অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, অ্যাঙ্কর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন।

দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ আছে। ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে দেশটির শ্রমবাজার বিদেশিদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় প্রায় ১৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারেননি। তবে তার মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে পুনরায় সেদেশে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া সরকার। সেসব কর্মীর মধ্যে এখনও প্রায় ৫ হাজার জন মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়ায় সফর ঘিরে আশা করা হচ্ছিল, দেশটির শ্রমবাজার দ্রুতই খুলবে। কী প্রক্রিয়ায় দেশটিতে নতুন করে কর্মী যাবে, সেই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি মালয়েশিয়ার সরকার। তবে পুনরায় সিন্ডিকেট নিয়ে যে আলোচনা উঠেছে তার মধ্যেই ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলো দেশটির এই প্ল্যাটফর্ম।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বরাবরই আলোচনায় ছিল সিন্ডিকেট। ২০০৮ সালে বন্ধ হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, আট বছর পর তা চালু হয়েছিল ২০১৬ সালে। এরপর দুর্নীতির অভিযোগে ফের ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে সেই বাজার খুলতে সময় লেগেছিল তিন বছর। ২০২২ সালের আগস্টে দেশটিতে আবারও বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে পুনরায় এই শ্রমবাজার বন্ধ হয়।

অভিযোগ আছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রিত হয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। অভিবাসন ব্যয়ের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যায় সিন্ডিকেটের পকেটে। তাই সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার চান জনশক্তি রফতানিকারকদের একাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে চুক্তির পরপরই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার নজির নেই। চুক্তির পর কী পরিমাণ কর্মী যাবে, কোন প্রক্রিয়ায় যাবে, শর্ত কী থাকবে— এগুলো নিয়ে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী যাওয়া শুরু করে। এই বছর চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই চুক্তি নবায়ন করবে সরকার। চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে এটি হালনাগাদ করার জন্য দুই দেশের ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক করতে হবে। সেগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর চুক্তি সই করা হবে।

২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশকে একটি চিঠি দেয়। তাতে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্তের ভিত্তিতে কর্মী পাঠাতে সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তালিকা চাওয়া হয়।

পরে মালয়েশিয়াকে অন্তত তিনটি শর্ত শিথিল করার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ। এই শর্তগুলো হলো— গত পাঁচ বছরে কমপক্ষে ৩ হাজার প্রবাসী কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা, নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকা ও গত তিন বছর ধরে কমপক্ষে ১০ হাজার বর্গফুটের একটি স্থায়ী অফিস স্পেস থাকা।

২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মালয়েশিয়া সরকারকে দিয়ে পাঠিয়ে এই শর্তগুলো মওকুফের অনুরোধ করেন। কিন্তু ওই সময় ১০টি নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে সাতটি পূরণকারী ২৬০টি এবং ছয়টি পূরণকারী ১৬৩টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করা হয়। তখন তিন থেকে চারটি ক্রাইটেরিয়া শিথিল করে মোট ৪২৩টি এজেন্সিকে নির্বাচন করা হয়। সেই তালিকা মালয়েশিয়া সরকারের কাছে পাঠানো হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ বাংলাদেশি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস। শুক্রবার (২১ আগস্ট) এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এতে বাংলাদেশের ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। যদিও সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসা হচ্ছিল।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে তালিকার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তালিকায় যেসব এজেন্সি রয়েছে- বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড, বেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট, জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি, মেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস, অ্যানেসা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড, আর্থ-স্মার্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, খান জাহান আলী ওভারসিজ, মেসার্স আল-শোতুপ ওভারসিজ , মাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড, রিফা ইন্টারন্যাশনাল, ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল, আল-হায়াত ওভারসিজ, ভালুকা ওভারসিজ, ব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কন্ট্রাক্টিং লিমিটেড, চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল, কান্ট্রি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি, গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড, জুয়েল রিঙ্কু এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিঙ্ক, নেবারস অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, অ্যাঙ্কর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন।

দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ আছে। ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে দেশটির শ্রমবাজার বিদেশিদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় প্রায় ১৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারেননি। তবে তার মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে পুনরায় সেদেশে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া সরকার। সেসব কর্মীর মধ্যে এখনও প্রায় ৫ হাজার জন মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়ায় সফর ঘিরে আশা করা হচ্ছিল, দেশটির শ্রমবাজার দ্রুতই খুলবে। কী প্রক্রিয়ায় দেশটিতে নতুন করে কর্মী যাবে, সেই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি মালয়েশিয়ার সরকার। তবে পুনরায় সিন্ডিকেট নিয়ে যে আলোচনা উঠেছে তার মধ্যেই ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করলো দেশটির এই প্ল্যাটফর্ম।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বরাবরই আলোচনায় ছিল সিন্ডিকেট। ২০০৮ সালে বন্ধ হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, আট বছর পর তা চালু হয়েছিল ২০১৬ সালে। এরপর দুর্নীতির অভিযোগে ফের ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে সেই বাজার খুলতে সময় লেগেছিল তিন বছর। ২০২২ সালের আগস্টে দেশটিতে আবারও বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে পুনরায় এই শ্রমবাজার বন্ধ হয়।

অভিযোগ আছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রিত হয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। অভিবাসন ব্যয়ের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যায় সিন্ডিকেটের পকেটে। তাই সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার চান জনশক্তি রফতানিকারকদের একাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে চুক্তির পরপরই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার নজির নেই। চুক্তির পর কী পরিমাণ কর্মী যাবে, কোন প্রক্রিয়ায় যাবে, শর্ত কী থাকবে— এগুলো নিয়ে দুই দেশের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মী যাওয়া শুরু করে। এই বছর চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এই চুক্তি নবায়ন করবে সরকার। চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে এটি হালনাগাদ করার জন্য দুই দেশের ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক করতে হবে। সেগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর চুক্তি সই করা হবে।

২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশকে একটি চিঠি দেয়। তাতে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্তের ভিত্তিতে কর্মী পাঠাতে সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তালিকা চাওয়া হয়।

পরে মালয়েশিয়াকে অন্তত তিনটি শর্ত শিথিল করার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ। এই শর্তগুলো হলো— গত পাঁচ বছরে কমপক্ষে ৩ হাজার প্রবাসী কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা, নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকা ও গত তিন বছর ধরে কমপক্ষে ১০ হাজার বর্গফুটের একটি স্থায়ী অফিস স্পেস থাকা।

২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল মালয়েশিয়া সরকারকে দিয়ে পাঠিয়ে এই শর্তগুলো মওকুফের অনুরোধ করেন। কিন্তু ওই সময় ১০টি নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়ার মধ্যে সাতটি পূরণকারী ২৬০টি এবং ছয়টি পূরণকারী ১৬৩টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করা হয়। তখন তিন থেকে চারটি ক্রাইটেরিয়া শিথিল করে মোট ৪২৩টি এজেন্সিকে নির্বাচন করা হয়। সেই তালিকা মালয়েশিয়া সরকারের কাছে পাঠানো হয়।