ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে পারব’— আশাবাদী সাকিব আল হাসান শাপলা চত্বর মামলায় ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করবেন লতিফ সিদ্দিকী সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের অভাবে শিল্পে গ্যাস সংকট, সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক শেষে সন্তুষ্ট জেলেনস্কি, ‘সেরা বৈঠক’ দাবি নেতানিয়াহুর মধ্যরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ অভিযান আইসিটির বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ হাইকোর্টের শ্যোন অ্যারেস্ট সংক্রান্ত আদেশ স্থগিত এমপি হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: আপিল বিভাগ কাল ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর মারধরকে ‘প্রতিরোধ’ দাবি রাকসু নেতাদের, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুমকি
সংবাদ শিরোনাম ::
খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে পারব’— আশাবাদী সাকিব আল হাসান শাপলা চত্বর মামলায় ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করবেন লতিফ সিদ্দিকী সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের অভাবে শিল্পে গ্যাস সংকট, সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক শেষে সন্তুষ্ট জেলেনস্কি, ‘সেরা বৈঠক’ দাবি নেতানিয়াহুর মধ্যরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ অভিযান আইসিটির বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ হাইকোর্টের শ্যোন অ্যারেস্ট সংক্রান্ত আদেশ স্থগিত এমপি হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: আপিল বিভাগ কাল ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর মারধরকে ‘প্রতিরোধ’ দাবি রাকসু নেতাদের, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুমকি

আইসিটির বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির দাবি, এ ধরনের বিচারপ্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করতে পারে, আইনের শাসন দুর্বল করতে পারে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাপলা চত্বর মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রসঙ্গ তুলে এসব মন্তব্য করে এইচআরডব্লিউ।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিচার অবশ্যই হওয়া উচিত। তবে অনেক বিচারই আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ড পূরণ করতে পারছে না। তাঁর ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুযোগ বন্ধ করতে বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার জরুরি সংস্কার প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হওয়ার পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের সময়কার বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের অভিযোগগুলোর বিচার এখন আইসিটিতে চলছে।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে ২০১০ সালে গঠিত ট্রাইব্যুনালের আগের কার্যক্রমও উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, সে সময় পরিচালিত বিচারগুলো পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের মধ্যে যোগসাজশ এবং মৌলিক আইনি সুরক্ষার ঘাটতির কারণে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বর্তমান কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ছয়টি মামলার রায়ে ৬২ জনকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৪২ জনের বিচার হয়েছে অনুপস্থিতিতে এবং ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এইচআরডব্লিউর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনে কিছু সংশোধন এনে অপরাধের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি নেওয়া হলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়নি। নির্বাচিত বিএনপি সরকারও ক্ষমতায় আসার পর এ বিষয়ে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, বর্তমান আইনে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ, দীর্ঘ সময় কারণ দর্শানো ছাড়া আটক রাখার সুযোগ এবং অন্তর্বর্তীকালীন আপিলের অধিকার না থাকার মতো বিধান বহাল রয়েছে। এছাড়া অভিযোগপত্র জমার মাত্র তিন সপ্তাহ পর বিচার শুরু হওয়ার সুযোগ থাকায় আসামিপক্ষ পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় পায় না বলেও দাবি করা হয়েছে।

শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই সাংবাদিকের বিষয়টিও তুলে ধরেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের কারণ লিখিতভাবে জানানো হয়নি, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী। পরে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে ওই দুই সাংবাদিককে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার আসামি করা হয়েছে।

বিচারপ্রক্রিয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। তাদের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তাদের সংগ্রহ করা একাধিক সাক্ষ্যের জবানবন্দিতে একই ধরনের অনুচ্ছেদ হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে।

উদাহরণ হিসেবে চট্টগ্রামে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের কয়েকটি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা একটি মামলার কথা উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির ভাষ্য, ওই মামলার ৫৫ সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্যে একাধিক অংশ প্রায় শব্দে শব্দে এক হওয়ায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর মামলার প্রসঙ্গ তুলে সংস্থাটি বলেছে, জামিনের বিনিময়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে এক প্রসিকিউটর পদত্যাগ করলেও সেই অভিযোগের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলীর ভাষ্য, অতীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যে অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ছিল, নতুন সরকার যেন একই ধরনের চর্চার পুনরাবৃত্তি না করে। তাঁর মতে, দুর্বল বা প্রশ্নবিদ্ধ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে বিচার পরিচালিত হলে তা ভুক্তভোগী, তাদের পরিবার এবং দেশের মানুষের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আইসিটির বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বিচারপ্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির দাবি, এ ধরনের বিচারপ্রক্রিয়া ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করতে পারে, আইনের শাসন দুর্বল করতে পারে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাপলা চত্বর মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রসঙ্গ তুলে এসব মন্তব্য করে এইচআরডব্লিউ।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিচার অবশ্যই হওয়া উচিত। তবে অনেক বিচারই আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের মানদণ্ড পূরণ করতে পারছে না। তাঁর ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সুযোগ বন্ধ করতে বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার জরুরি সংস্কার প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ৮০০ জনের বেশি মানুষ নিহত এবং হাজারো মানুষ আহত হওয়ার পাশাপাশি শেখ হাসিনা সরকারের সময়কার বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের অভিযোগগুলোর বিচার এখন আইসিটিতে চলছে।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে ২০১০ সালে গঠিত ট্রাইব্যুনালের আগের কার্যক্রমও উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির দাবি, সে সময় পরিচালিত বিচারগুলো পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত, প্রসিকিউটর ও বিচারকদের মধ্যে যোগসাজশ এবং মৌলিক আইনি সুরক্ষার ঘাটতির কারণে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বর্তমান কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। তাদের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ছয়টি মামলার রায়ে ৬২ জনকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ৪২ জনের বিচার হয়েছে অনুপস্থিতিতে এবং ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এইচআরডব্লিউর অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আইনে কিছু সংশোধন এনে অপরাধের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি নেওয়া হলেও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়নি। নির্বাচিত বিএনপি সরকারও ক্ষমতায় আসার পর এ বিষয়ে নতুন কোনো সংশোধনী আনেনি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, বর্তমান আইনে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের নির্দেশ, দীর্ঘ সময় কারণ দর্শানো ছাড়া আটক রাখার সুযোগ এবং অন্তর্বর্তীকালীন আপিলের অধিকার না থাকার মতো বিধান বহাল রয়েছে। এছাড়া অভিযোগপত্র জমার মাত্র তিন সপ্তাহ পর বিচার শুরু হওয়ার সুযোগ থাকায় আসামিপক্ষ পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় পায় না বলেও দাবি করা হয়েছে।

শাপলা চত্বর মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই সাংবাদিকের বিষয়টিও তুলে ধরেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারের কারণ লিখিতভাবে জানানো হয়নি, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী। পরে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে ওই দুই সাংবাদিককে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার আসামি করা হয়েছে।

বিচারপ্রক্রিয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। তাদের দাবি, তদন্ত কর্মকর্তাদের সংগ্রহ করা একাধিক সাক্ষ্যের জবানবন্দিতে একই ধরনের অনুচ্ছেদ হুবহু পুনরাবৃত্তি হয়েছে, যা সাক্ষ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে।

উদাহরণ হিসেবে চট্টগ্রামে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টের কয়েকটি হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা একটি মামলার কথা উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ। সংস্থাটির ভাষ্য, ওই মামলার ৫৫ সাক্ষীর জবানবন্দির মধ্যে একাধিক অংশ প্রায় শব্দে শব্দে এক হওয়ায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর মামলার প্রসঙ্গ তুলে সংস্থাটি বলেছে, জামিনের বিনিময়ে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে এক প্রসিকিউটর পদত্যাগ করলেও সেই অভিযোগের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মীনাক্ষী গাঙ্গুলীর ভাষ্য, অতীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার যে অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ছিল, নতুন সরকার যেন একই ধরনের চর্চার পুনরাবৃত্তি না করে। তাঁর মতে, দুর্বল বা প্রশ্নবিদ্ধ সাক্ষ্যের ভিত্তিতে বিচার পরিচালিত হলে তা ভুক্তভোগী, তাদের পরিবার এবং দেশের মানুষের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।