বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
ভারতের ওড়িশায় যাত্রীবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৩-এ। এ ঘটনায় আহত আছেন অন্তত ৯০০ জন। ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিস্তারিত...
ভারতের উড়িষ্যা রাজ্যের বালেশ্বরে তিনটি ট্রেনের পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২৬১ জন নিহত হয়েছেন। উদ্ধারকাজ চলাকালীন নিহতের সংখ্যা ২৮৮ জন বলা হলেও পরবর্তীতে এই সংখ্যা সংশোধন করে ২৬১ জনের কথা
প্রধানমন্ত্রী ও দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ এদেশের মাটি-মানুষের সংগঠন, এই সংগঠনকে কেউ ধ্বংস করতে পারবে না। শনিবার (৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের
কলকাতা থেকে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনও বাংলাদেশি আছে কিনা, সেটা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেনি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন। তবে
ওড়িশায় ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। আহত কমপক্ষে ৯০০ জনকে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা। বিপুল এসব আহত মানুষের জন্য দরকার রক্ত। ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই বলছে, আহতের জন্য রক্ত
ভারতের ওড়িশা রাজ্যের বালাসোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শনিবার হেলিকপ্টারে চেপে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পরিস্থিতি নিজ চোখে পর্যবেক্ষণ করেন। সেখানে রেলমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে সমালোচনা
ভারতের ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় আড়াই শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় হাজার খানেক। শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যা সাতটার দিকে চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ১০-১২টি বগি ওড়িশার বালাসোরে লাইনচ্যুত হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে চলমান লোডশেডিং আরও কিছু দিন থাকবে। জ্বালানি সংকটের কারণে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন ৫ জুনের পর সাময়িক সময়ের জন্য পুরোপুরি