ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর বরিশালে আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা জোরদার ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ ইউক্রেনে রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: নিহত ১২ একটি দল পতিত স্বৈরাচারকে সুবিধা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে: রিজভী শান্তি চুক্তির অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম ভারত তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে: মুখপাত্র জয়সওয়াল কাল সূর্য গ্রহণ: কোথাও দেখা যাবে পূর্ণ কোথাও আংশিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : আলোচনার শীর্ষে মির্জা ফখরুল
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর বরিশালে আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ, নিরাপত্তা জোরদার ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ ইউক্রেনে রাশিয়ার রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: নিহত ১২ একটি দল পতিত স্বৈরাচারকে সুবিধা দেওয়ার অপচেষ্টা করছে: রিজভী শান্তি চুক্তির অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম ভারত তারেক রহমানকে দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে: মুখপাত্র জয়সওয়াল কাল সূর্য গ্রহণ: কোথাও দেখা যাবে পূর্ণ কোথাও আংশিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : আলোচনার শীর্ষে মির্জা ফখরুল

গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবেই, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব : ভারতীয় দূত

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন ইস্যু থাকবেই, তবে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের চাওয়া এক— বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক। এ সম্পর্ক ভালো থাকলে দুই দেশই লাভবান হবে। আগামী দিনগুলো ভালো হবে বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। পরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

বৈঠক দুটি শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন জনসম্পৃক্ত মানুষ হিসেবে দেখেছেন। তাদের সাক্ষাৎ একজন কূটনীতিক ও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠকের চেয়ে দুই জন জনপ্রতিনিধির সাক্ষাতের মতো ছিল। প্রথমবার দেখা হলেও তার মনে হয়নি যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এর আগে কখনো দেখা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীকে খুবই ভালো, বিনয়ী ও মাটির কাছাকাছি মানুষ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক নিয়েই খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ আগে থেকেই রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দেশটির জনগণও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী। দুই দেশের নেতৃত্ব একসঙ্গে বসলে ইতিবাচক আলোচনা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবেই। ইস্যু না থাকলে তো সেটা গণতন্ত্র নয়। দুই দেশেরই বিভিন্ন ইস্যু থাকবে, তবে মানুষের চাওয়া একটাই— ভালো সম্পর্ক। সম্পর্ক ভালো হলে তা দুই দেশের জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে।”

তিনি বলেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, প্রতিবেশী হিসেবে অবস্থান ও অভিন্ন ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তারা শুধু সীমান্তই ভাগ করে নেয় না, স্বপ্নও ভাগ করে নেয়। তাই আগামী দিনগুলো ভালো হবে বলে তিনি মনে করেন। যেসব ইস্যু রয়েছে, সেগুলো সমাধান করতে হবে এবং এ বিষয়ে তিনি খুবই আত্মবিশ্বাসী।

বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশেই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র রয়েছে। দুই দেশের সাধারণ মানুষই সম্পর্ক ভালো দেখতে চায়, যা খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের দুই মাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময়ে তিনি অনেক সম্মান, আদর ও ভালোবাসা পেয়েছেন।

বাংলাদেশে হাইকমিশনারের দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তাকে সবসময় দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার গুরুত্বের কথা বলেছেন। এ কারণে সম্পর্ক ভালো রাখার দায়িত্ব নিয়েই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। দুই সরকার আলোচনায় বসলে সম্পর্কের উন্নতি হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘সবই ভালো হবে। পজিটিভ সব বিষয়।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য দিল্লির প্রতি আহ্বান জানায় ঢাকা। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। এ সময় ঢাকায় দায়িত্ব পালনের গত দুই মাসের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী।

বৈঠকে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করে, ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ভারত ত্বরান্বিত করবে। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও ভারতের প্রতি অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবেই, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব : ভারতীয় দূত

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন ইস্যু থাকবেই, তবে আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের চাওয়া এক— বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক। এ সম্পর্ক ভালো থাকলে দুই দেশই লাভবান হবে। আগামী দিনগুলো ভালো হবে বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। পরে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

বৈঠক দুটি শেষে ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন জনসম্পৃক্ত মানুষ হিসেবে দেখেছেন। তাদের সাক্ষাৎ একজন কূটনীতিক ও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠকের চেয়ে দুই জন জনপ্রতিনিধির সাক্ষাতের মতো ছিল। প্রথমবার দেখা হলেও তার মনে হয়নি যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এর আগে কখনো দেখা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীকে খুবই ভালো, বিনয়ী ও মাটির কাছাকাছি মানুষ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক নিয়েই খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ আগে থেকেই রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দেশটির জনগণও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী। দুই দেশের নেতৃত্ব একসঙ্গে বসলে ইতিবাচক আলোচনা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “গণতন্ত্রে ইস্যু থাকবেই। ইস্যু না থাকলে তো সেটা গণতন্ত্র নয়। দুই দেশেরই বিভিন্ন ইস্যু থাকবে, তবে মানুষের চাওয়া একটাই— ভালো সম্পর্ক। সম্পর্ক ভালো হলে তা দুই দেশের জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে।”

তিনি বলেন, দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক, প্রতিবেশী হিসেবে অবস্থান ও অভিন্ন ইতিহাস পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তারা শুধু সীমান্তই ভাগ করে নেয় না, স্বপ্নও ভাগ করে নেয়। তাই আগামী দিনগুলো ভালো হবে বলে তিনি মনে করেন। যেসব ইস্যু রয়েছে, সেগুলো সমাধান করতে হবে এবং এ বিষয়ে তিনি খুবই আত্মবিশ্বাসী।

বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশেই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র রয়েছে। দুই দেশের সাধারণ মানুষই সম্পর্ক ভালো দেখতে চায়, যা খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের দুই মাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময়ে তিনি অনেক সম্মান, আদর ও ভালোবাসা পেয়েছেন।

বাংলাদেশে হাইকমিশনারের দায়িত্ব নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীও তাকে সবসময় দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার গুরুত্বের কথা বলেছেন। এ কারণে সম্পর্ক ভালো রাখার দায়িত্ব নিয়েই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। দুই সরকার আলোচনায় বসলে সম্পর্কের উন্নতি হবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘সবই ভালো হবে। পজিটিভ সব বিষয়।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য দিল্লির প্রতি আহ্বান জানায় ঢাকা। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। এ সময় ঢাকায় দায়িত্ব পালনের গত দুই মাসের অভিজ্ঞতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন দীনেশ ত্রিবেদী।

বৈঠকে বাংলাদেশ আশা প্রকাশ করে, ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ভারত ত্বরান্বিত করবে। একই সঙ্গে ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযুক্তদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়েও ভারতের প্রতি অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।