ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সংবাদ শিরোনাম ::

বিকাশ-রকেট-নগদের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্টের রুল

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গ্রাহকদের লেনদেনের বিপরীতে মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট ও নগদের আরোপিত অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জের বৈধতা এবং গ্রাহক সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পৃথক ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয় বিবেচনায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুলাই) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল দেন।

লেনদেন হবে বিকাশ-রকেট-নগদের মধ্যে, সহজে টাকা যাবে ব্যাংকেও

রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, বিকাশ, রকেট ও নগদের আরোপিত স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি, অসাংবিধানিক এবং বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২-এর পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না।

একই সঙ্গে সার্ভিস চার্জ নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহকদের জন্য যুক্তিসংগত, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর গ্রাহক সুরক্ষা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন ১০ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ।

শুনানিতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী দেশে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যাংকের ক্ষেত্রে লেনদেনের বিপরীতে নির্দিষ্ট হারে অর্থাৎ নির্দিষ্ট অঙ্কে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয়। কিন্তু বিকাশ, রকেট ও নগদ শতকরা হারে চার্জ আদায় করছে।

হকারদের সড়ক ও ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে রুল জারি হাইকোর্টের

তার ভাষ্য, ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে এক লাখ টাকা স্থানান্তরে সাধারণত ১০ টাকা খরচ হয়। অথচ বিকাশ, নগদ ও রকেট অ্যাপ থেকে অন্য ব্যাংকে একই পরিমাণ অর্থ পাঠাতে প্রতি হাজারে ১০ টাকা হিসেবে এক লাখ টাকার জন্য এক হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ গুনতে হয়।

রিট আবেদনকারী ওবাইদুল্যাহ আল মামুন সাকিব বলেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী এমএফএস সেবা মূলত যেসব ব্যক্তি ব্যাংক হিসাবের বাইরে রয়েছেন বা ব্যাংকিং সেবার আওতায় নেই, তাদের জন্য চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এসব সেবায় অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ করা হচ্ছে, যা প্রবিধানমালার ২ ও ৯ নম্বর বিধির পরিপন্থি। এ কারণেই জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিকাশ-রকেট-নগদের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি নয়: হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

গ্রাহকদের লেনদেনের বিপরীতে মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট ও নগদের আরোপিত অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জের বৈধতা এবং গ্রাহক সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পৃথক ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয় বিবেচনায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুলাই) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এ রুল দেন।

লেনদেন হবে বিকাশ-রকেট-নগদের মধ্যে, সহজে টাকা যাবে ব্যাংকেও

রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, বিকাশ, রকেট ও নগদের আরোপিত স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ কেন বেআইনি, অসাংবিধানিক এবং বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২-এর পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না।

একই সঙ্গে সার্ভিস চার্জ নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রাহকদের জন্য যুক্তিসংগত, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নিশ্চিত করতে কার্যকর গ্রাহক সুরক্ষা ও জবাবদিহি ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন’ প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ওবাইদুল্যাহ আল মামুন ১০ জুলাই রিটটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আবদুস সামাদ আজাদ।

শুনানিতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী দেশে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যাংকের ক্ষেত্রে লেনদেনের বিপরীতে নির্দিষ্ট হারে অর্থাৎ নির্দিষ্ট অঙ্কে সার্ভিস চার্জ নেওয়া হয়। কিন্তু বিকাশ, রকেট ও নগদ শতকরা হারে চার্জ আদায় করছে।

হকারদের সড়ক ও ফুটপাত বরাদ্দ দেওয়া নিয়ে রুল জারি হাইকোর্টের

তার ভাষ্য, ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে এক লাখ টাকা স্থানান্তরে সাধারণত ১০ টাকা খরচ হয়। অথচ বিকাশ, নগদ ও রকেট অ্যাপ থেকে অন্য ব্যাংকে একই পরিমাণ অর্থ পাঠাতে প্রতি হাজারে ১০ টাকা হিসেবে এক লাখ টাকার জন্য এক হাজার টাকা পর্যন্ত সার্ভিস চার্জ গুনতে হয়।

রিট আবেদনকারী ওবাইদুল্যাহ আল মামুন সাকিব বলেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রবিধানমালা, ২০২২ অনুযায়ী এমএফএস সেবা মূলত যেসব ব্যক্তি ব্যাংক হিসাবের বাইরে রয়েছেন বা ব্যাংকিং সেবার আওতায় নেই, তাদের জন্য চালু করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এসব সেবায় অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আরোপ করা হচ্ছে, যা প্রবিধানমালার ২ ও ৯ নম্বর বিধির পরিপন্থি। এ কারণেই জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।