ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করব— রয়টার্সকে শেখ হাসিনা
- আপডেট সময় : ০৪:৫৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
আগামী ডিসেম্বরে ভারতে নির্বাসিত জীবন শেষে বাংলাদেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে চান বলে জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার দাবি, তিনি একাই নন, আওয়ামী লীগের নির্বাসিত জ্যেষ্ঠ নেতারাও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হবেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া প্রায় এক ঘণ্টার টেলিফোন সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি হত্যাও করা হতে পারে। তবু তিনি ফিরবেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
শেখ হাসিনা-কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
রয়টার্সকে দেওয়া শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার এমন সময়ে সামনে এলো, যখন তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি চলছে। আর ২৫ দিন পরই ৫ আগস্ট, যেদিন ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার পতন ঘটে।
দুই বছর আগের ওই দিনে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। এরপর গত দুই বছর তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাকর্মীদের কেউ কেউ দেশে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা সবাই পলাতক, যাদের একটি বড় অংশই শেখ হাসিনার মতোই ভারতে অবস্থান করছেন।
ছাত্র-জনতার ওই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের অধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্বিচারে চালানো গুলিতে শত শত মানুষ প্রাণ হারান। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী সেই আন্দোলন দমনে প্রায় এক হাজার ৪০০ জন নিহত হতে পারেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়৷ ওই সময় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একটি মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড সাজা দিয়েছেন আদালত।
ভারতকে অন্তর্বর্তী সরকার— দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত পাঠান
এর আগে বিভিন্ন সময়ে টেলিগ্রাম চ্যানেলসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে চান বলে বার্তা ও অডিও ছড়িয়েছে। সেগুলো সত্যিই শেখ হাসিনার বক্তব্য নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে তৈরি, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে শুক্রবার প্রকাশিত ‘দেশে ঢুকতে এত অস্থির হলে পালালেন কেন?’ শীর্ষক এক লেখায় লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, “বিদেশে ‘পলাতক’ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি দেশে ফিরে এসে আদালতে হাজির হবেন এবং ফাঁসির দড়ি গলায় দিয়ে ঝুলে পড়বেন, এটা কষ্টকল্পনা মনে হয়। এ ধরনের অভিযুক্তরা বরং গোপনে একটা রফা করে দেশে ফিরে আসে এবং ‘আইনি প্রক্রিয়ায়’ খালাস পেয়ে যায়। হাসিনার ব্যাপারে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তটা যে কী, বুঝতে পারছি না। তা ছাড়া তিনি দেশে ফিরে আসতে চান কি না, সেটিও একটি প্রশ্ন।”
দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর শেখ হাসিনার লাল পাসপোর্ট পরবর্তী ইউনূস সরকার বাতিল করে দেয় উল্লেখ করে এই গবেষক বলেন, ‘এই মুহূর্তে তার কাছে বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট নেই। ফলে দেশে ফিরতে হলে তার ট্রাভেল পাস লাগবে। তিনি ট্রাভেল পাস চাইলে সেটি দেওয়ার এখতিয়ার সরকারের। এটি নিতে হবে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে। সরকার ট্রাভেল পাস দিলে দেশে আসতে পারবেন তিনি। যেহেতু গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে, তাই ট্রাভেল পাস পেয়ে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই তিনি গ্রেপ্তার হবেন। এটা হলো আইনের কথা।’
মহিউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার দাবি, হুমকি, মাতম সবই চলছে। কিন্তু তা কীভাবে বাস্তবায়ন হবে তা পরিষ্কার নয়। বোঝা যায় এ নিয়ে বেশ কিছুদিন রাজনীতি হবে। শেখ হাসিনা তখনই ফিরবেন, যখন তিনি নিজের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন। তার মানে, এখনকার ক্ষমতার সমীকরণটি তখন বদলে যাবে। প্রশ্ন হলো— এটি হতে কত দিন, কত বছর লাগবে?’
আ.লীগ পুরোপুরি নিষিদ্ধ হবে কি না, সিদ্ধান্ত আদালতের: জাহেদ উর রহমান
গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর বিএনপি ক্ষমতায় এলে বারবার উঠে এসেছে শেখ হাসিনাকে ফেরানো এবং আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করার প্রসঙ্গ। গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ওই সময় তিনি দলটির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ প্রসঙ্গে আদালতের রায়ের জন্য ‘অপেক্ষা’র কথা জানান।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তো নিষিদ্ধ হয়নি, তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ আছে। একটু অপেক্ষা করুন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমাদের আইসিটি থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। সেই সময়টা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেই হবে। বিচারে দেখা যাবে তাদেরকে নিষিদ্ধ করা হবে কিনা। আবারও বলছি, এটা আদালতের এখতিয়ার। বিচারক সব পক্ষের কথা শুনেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে কোনও রাখঢাক রাখেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য সাফ জানিয়েছেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে, রাজনৈতিকভাবে নিপাত হয়েছে, নির্মূল হয়েছে। দাফন হয়ে গেছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না।’
আ. লীগের বিচার শিগগিরই, দেশে রাজনীতির সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার দাবি করেছি আমরা, আপনারাও দাবি করেছেন। তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ খুব শিগগির রাজনৈতিক দল হিসেবে সেই দলকে বিচারের কাঠগড়ায় নেওয়া হবে।’
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘দেখুন, এটাতে সময় লাগে। আমরা প্রক্রিয়াটা চলমান রেখেছি।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘প্রক্রিয়াটা শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। তার মধ্যে বাংলাদেশের নির্বাচন হয়েছে, নতুন সরকার গঠন হয়েছে, সরকার আসার পরে প্রক্রিয়াটি আবার সচল হয়েছে। সেখানে কূটনীতির কোনো ঘাটতি নেই, চলমান আছে।’
শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এটা নিয়ে ওনারাও কাজ করছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের যে প্রক্রিয়া চালানো দরকার, সে প্রক্রিয়া আমরা চালাচ্ছি, সেটাতে কোনো ঘাটতি আমি দেখছি না।’
হাসিনাকে ফেরাতে সরকার সচেষ্ট আছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
শেখ হাসিনাকে ফেরত এনে বিচার করা ‘বাংলাদেশের জনগণ চায়’ মন্তব্য করে শামা ওবায়েদ বলেন, এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে, যেই দুর্নীতি হয়েছে, খুন-গুম হয়েছে, সেগুলোর একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে।
তবে রয়টার্সকে শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত আনার জন্য বারবার ভারতের কাছে চিঠি পাঠালেও তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। বারবার ভারতকে চিঠি দিচ্ছে। কিন্তু আমাকে পাঠাতে হবে না, আমি নিজেই ফিরে যাব।’
নির্বাসনে যাওয়ার পর এটিই শেখ হাসিনার প্রথম দীর্ঘ সাক্ষাৎকার। এর আগে তিনি বিভিন্ন গণমাধ্যমের লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিলেও সরাসরি সাক্ষাৎকার দেননি। একই সঙ্গে এই প্রথম তিনি দেশে ফেরার একটি সম্ভাব্য সময়সীমা নির্ধারণ করলেন এবং আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করলেন।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করছে: আইনমন্ত্রী
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ আওয়ামী লীগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতারও শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। আসাদুজ্জামান খান কামালও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একই মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড সাজা পেয়েছেন। কামালসহ অন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তাদের দেশে ফেরা নিয়ে স্বতন্ত্রভাবে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স।
শেখ হাসিনার ভাষ্য, আওয়ামী লীগের প্রায় সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অনেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। দল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তিনি অনলাইনে এরই মধ্যে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে বলেছি, এবার আমি দেশে ফিরছি। একদিন তোমরাও ফিরে এসো। আমরা সবাই একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব।’
তবে তিনি নির্দিষ্ট করে কবে ফিরবেন বা কোন আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন, তা জানাননি।
শেখ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশকে যে দৃষ্টিতে দেখছে ভারত
‘ভালো-মন্দের বিচার জনগণই করবে’
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা হারিয়ে দেশ ছাড়ার প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, গণভবনের দিকে জনতা এগিয়ে আসায় তার জীবনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। তিনি বলেন, ‘কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতেই পারে। কোনো সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু একটি সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিলাম।’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে, হয়তো আমি আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারব না। কিন্তু আওয়ামী লীগকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে? যদি আমরা খারাপ করে থাকি, তাহলে জনগণই আমাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’
নিজের বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করেন। তার ভাষায়, ‘বিচার কার্যক্রম শুরু হলে মানুষই বুঝতে পারবে আদালতের এই প্রক্রিয়া কতটা প্রহসন। আমি সেটাই প্রমাণ করতে চাই।’
তিনি আরও বলেন, কারাবাস নিয়ে তার কোনো ভয় নেই। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে তাকে কারাবরণ করতে হয়েছে।
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আবেদন ‘খতিয়ে দেখছে’ ভারত
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন মাত্রা?
রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে তার ভারতে অবস্থানকে কেন্দ্র করে গত দুই বছরে ঢাকা-নয়াদিল্লির সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, সেটিতেও নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।
ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ সরকার তাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানিয়ে আসছে। তবে নয়াদিল্লি এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।
শেখ হাসিনার এই সাক্ষাৎকার নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।


















