ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্রুততম সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পরীক্ষার ফল প্রকাশ আর্জেন্টিনার জার্সিকে বিদায় বলে দিলেন মেসি নতুন পে-স্কেলের গেজেট এ সপ্তাহেই, বাস্তবায়ন ৩ ধাপে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন ১০ শ্রমিকের মৃত্যু: ফেরদৌস স্টিলে নিরাপত্তায় ঘাটতি রংপুরে ৪ খুন: ২ আসামির ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব বরের গাড়ি থামিয়ে ভাঙচুর, নববধূকে তুলে নিলেন ছাত্রদল কর্মী চট্টগ্রামে জামিনে মুক্ত হয়ে খুন হলেন ‘সন্ত্রাসী’ পিচ্চি জাহিদ সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে কাজের স্বীকৃতি, রুনা খান পেলেন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের মুখ মিলেছে, সাড়া নেই কর্মীদের
সংবাদ শিরোনাম ::
দ্রুততম সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক পরীক্ষার ফল প্রকাশ আর্জেন্টিনার জার্সিকে বিদায় বলে দিলেন মেসি নতুন পে-স্কেলের গেজেট এ সপ্তাহেই, বাস্তবায়ন ৩ ধাপে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন ১০ শ্রমিকের মৃত্যু: ফেরদৌস স্টিলে নিরাপত্তায় ঘাটতি রংপুরে ৪ খুন: ২ আসামির ডোপ টেস্টে মেলেনি মাদকের অস্তিত্ব বরের গাড়ি থামিয়ে ভাঙচুর, নববধূকে তুলে নিলেন ছাত্রদল কর্মী চট্টগ্রামে জামিনে মুক্ত হয়ে খুন হলেন ‘সন্ত্রাসী’ পিচ্চি জাহিদ সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে কাজের স্বীকৃতি, রুনা খান পেলেন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলের মুখ মিলেছে, সাড়া নেই কর্মীদের

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের ‘কানেকশন’: চিফ প্রসিকিউটর

ভয়েস বাংলা রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৬:০৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংযোগ থাকার সূত্র মিলেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে আমরা একটি ‘ক্লু’ পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটা বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের একটা কানেকশন সিডিআর পর্যালোচনায় পাওয়া যায়।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কল রেকর্ড পর্যালোচনায় ওই সূত্র পাওয়া গেছে।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ মামলা সরাসরি তদন্ত করছে না। অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ওই সূত্র পাওয়া গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার তথ্য আমাদের নজরদারিতে আছে। আরও তদন্ত হলে আমরা আরও নির্ভরযোগ্য কিছু পেলে এ মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।

ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নেরও কোনো উত্তর দেননি চিফ প্রসিকিউটর।

সাগর-রুনি হত্যা মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়বে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, যেহেতু এটা ‘ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক অফেন্স’ না, এটা একটা স্বতন্ত্র হত্যা মামলা। সেই কারণে এটা সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই বিচার হবে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে পাওয়া নতুন তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হবে।

সাগর-রুনি দম্পতিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। ওই সময় সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ও রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ও ডিবির পর মামলাটি তদন্তের ভার পায় র‍্যাব। তবে ১২ বছরেও তারা এ হত্যাকাণ্ডের সুরাহা করতে পারেনি। পরে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেয়।

ওই সময় বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। পিবিআই প্রধানকে ওই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সের অধীনেই মামলার তদন্ত চলছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় টাস্কফোর্সকে বেশ কয়েক দফায় সময় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ এ বছরের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট আরও ছয় মাস সময় দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাগর-রুনি হত্যায় এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের ‘কানেকশন’: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৬:০৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংযোগ থাকার সূত্র মিলেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তের ব্যাপারে আমরা একটি ‘ক্লু’ পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটা বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের একটা কানেকশন সিডিআর পর্যালোচনায় পাওয়া যায়।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কল রেকর্ড পর্যালোচনায় ওই সূত্র পাওয়া গেছে।

সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে জানিয়ে আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা এ মামলা সরাসরি তদন্ত করছে না। অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ওই সূত্র পাওয়া গেছে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার তথ্য আমাদের নজরদারিতে আছে। আরও তদন্ত হলে আমরা আরও নির্ভরযোগ্য কিছু পেলে এ মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা আছেন, তাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করব।

ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নেরও কোনো উত্তর দেননি চিফ প্রসিকিউটর।

সাগর-রুনি হত্যা মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়বে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, যেহেতু এটা ‘ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক অফেন্স’ না, এটা একটা স্বতন্ত্র হত্যা মামলা। সেই কারণে এটা সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই বিচার হবে। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কাছে পাওয়া নতুন তথ্য-উপাত্ত ও আলামত সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে দেওয়া হবে।

সাগর-রুনি দম্পতিকে ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় হত্যা করা হয়। ওই সময় সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ও রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ও ডিবির পর মামলাটি তদন্তের ভার পায় র‍্যাব। তবে ১২ বছরেও তারা এ হত্যাকাণ্ডের সুরাহা করতে পারেনি। পরে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দেয়।

ওই সময় বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। পিবিআই প্রধানকে ওই টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক করা হয়। বর্তমানে এই টাস্কফোর্সের অধীনেই মামলার তদন্ত চলছে।

তবে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় টাস্কফোর্সকে বেশ কয়েক দফায় সময় দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ এ বছরের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট আরও ছয় মাস সময় দেন।