তামিমকে পেছনে ফেলে শীর্ষে মুশফিক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পুরোটা সময় ব্যর্থ ছিলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। বাদ পড়েন পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। ফরম্যাট বদলাতেই জ্বলে উঠলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার।শুক্রবার চট্টগ্রাম টেস্টে তামিমের একটি রেকর্ড ভেঙেছেন।
পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে নামার পর দুই রেকর্ড ভাঙার হাতছানি ছিল তার সামনে। ঘরের মাঠে এবং টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান ছিল তামিমের। শুক্রবার ঘরের মাঠে তামিমকে ছাড়ালেও টেস্টের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি নিজের করে নিতে কাল পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে মুশফিককে। শনিবার সকালে ১০ রান করলেই টেস্ট ক্রিকেটে তিনি শীর্ষ রানের সিংহাসনে বসবেন।
ঘরের মাঠে তামিমকে ছাড়িয়ে যেতে মুশফিকের প্রয়োজন ছিল ৩৮ রান। অন্যদিকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করতে প্রয়োজন ৯২। সেঞ্চুরির পথে থাকা মুশফিক ঘরের মাঠের রেকর্ডটি সহজেই ভেঙে ফেলেছেন।
তবে চট্টগ্রামের উইকেটে শুরুতে সংগ্রাম করতে হয়েছে ব্যাটসম্যানদের। শুরুর ঘণ্টায় টিকে থাকতে পারলেও এই উইকেটে রানের বন্যা বইয়ে দেওয়া কোনও ঘটনাই নয়। শুরুর চার ব্যাটসম্যান যেটি পারেননি, পরে সেটি করে দেখিয়েছেন মুশফিক। ৫৬ বলে ৫ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে গেছেন। লাঞ্চ থেকে ফিরেই পাকিস্তানি বোলারদের একের পর এক হতাশা উপহার দিয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার। আর তাতেই ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়ে মুশফিক ছাড়িয়ে যান তামিমের একটি কীর্তি।
এখন ঘরের মাঠে টেস্টে সবচেয়ে বেশি রান মুশফিকের। সাজিদ খানকে মিডঅনে চার মেরে ঘরের মাঠে তামিমের করা ২ হাজার ৬২০ রান টপকে গেছেন। মুশফিকের বর্তমান রান ৪ হাজার ৭৭৮ রান। এই রান করতে মুশফিক খেলেছেন ৭৬টি টেস্ট।
শুক্রবার আলোর স্বল্পতার কারণে ৫ ওভার কম খেলা হয়েছে। দিন শেষ করার আগে মুশফিক ৮২ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন। ১৯০ বলে ১০ চারে তিনি ইনিংসটি সাজিয়েছেন।
৩৭ ম্যাচে ৭০ ইনিংসে ২ হাজার ৬২০ রান করা তামিমের অবস্থান এখন দুই নম্বরে। এ তালিকায় তিনে আছেন সাকিব। ঘরের মাঠে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ৩৮ ম্যাচে ৬৮ ইনিংসে করেছেন ২ হাজার ৫৪৫ রান।