শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি রওশন এরশাদের

শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের। গত ৫ নভেম্বর থেকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জাতীয় পার্টির চিফ প্যাট্রন। সেখানে আইসিইউ ও কেবিনে আসা-যাওয়ার মাঝেই রয়েছেন তিনি। শারীরিক অবস্থাও স্বাভাবিক নয় রওশন এরশাদের। ঢাকার মতো ব্যাংককেও সারভাইভ করছেন রওশন এরশাদ। উন্নতি বলতে তেমন কিছু নেই। দলের ও পারিবারিক একাধিক দায়িত্বশীলের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি নেই। আইসিইউ ও কেবিনে আসা-যাওয়ার মধ্যে রয়েছে তিনি। শরীর একটু ভালো হলে কেবিনে আনা হলেও আবার অবনতি ঘটলে আইসিইউ সাপোর্ট প্রয়োজন হয়। প্রতিদিনই তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ খবর রাখি। ব্যাংককে যোগাযোগ হয়। আমরা সবাই দোয়া করছি, তিনি যেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।
জাপার কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, এখন অনেকটা ভালো আছেন ম্যাডাম। অক্সিজেন লাগছে, তবে সেটা দেশের চেয়ে ভালো অবস্থা কিছুটা। আমরা খোঁজ খবর রাখার চেষ্টা করছি।
গত ৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে থাইল্যান্ডের ব্যাংকের উদ্দেশে যান রওশন এরশাদ। সেখানে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় এই নেতার সঙ্গে আছেন ছেলে রাহগির আলমাহি সাদ এরশাদ এবং পুত্রবধূ মাহিমা এরশাদ।
রওশন এরশাদকে গত ৫ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ড নিয়ে যাওয়া হয়পারিবারিক একটি সূত্র বলছে, কখনও সাদ এরশাদ দেশে যোগাযোগ করলেও খুব একটা তথ্য জানাতে উৎসাহ দেখাননি। যে কারণে কোনোভাবেই তাকে বিরক্ত করা হচ্ছে না। তবে, জাপার একাধিক নেতা জানান, সাদ এরশাদ তার মায়ের শারীরিক অগ্রগতি বা অবনতির বিষয়ে সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে অনেকটাই যোগাযোগহীন। ঢাকা থেকে অনেকে ফোন করলেও তিনি সাড়া দেন না।
জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, গত বুধবার পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর বলছে, রওশন এরশাদের অক্সিজেন সাপোর্ট লাগছে। তবে বাংলাদেশের চেয়ে ব্যাংককে হালকা উন্নতি আছে।