ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি: বাজারে কমতে শুরু করেছে দাম

আমদানির খবরেই দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। গতকাল দেশে পৌঁছেছে ভারতীয় পেঁয়াজ। এখনও তা বাজারে আসেনি। এর ফলে কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। কয়েক দিন আগেও যে পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, সেই পেঁয়াজ মঙ্গলবার (৬ জুন) ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় নেমে এসেছে। অর্থাৎ কেজিপ্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা কমেছে।
মিরপুর ১ ও ২ নম্বরের কাঁচা বাজার, মুদি দোকান এবং ভ্রাম্যমাণ পেঁয়াজ বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজকের বাজারে পেঁয়াজের দাম কম। বিক্রেতারা জানান, দুই দিন আগেও তারা ৯০ থেকে ১০০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন। কিন্তু আজ বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে।
গতকাল দেশে পৌঁছেছে ভারতীয় পেঁয়াজ
পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আজাদ বলেন, আমরা পাইকারি বিক্রি করি। আজ পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। সাইজের ওপর দাম ৬০, ৬৫ বা ৭০ টাকা হয়ে থাকে। গতকাল বিক্রি করেছি ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। তার আগেরদিন বিক্রি করছি ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। তিনি বলেন, আমদানির খবরে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে গেছে। আমাদের এখানে এখনও ভারতীয় পেঁয়াজ পৌঁছায়নি। আজ রাতে পৌঁছাতে পারে। তখন দাম আরও কমে যাবে।
খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা শরিফুল আলম বলেন, আজ পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। গতকাল আর তার আগের দিন বিক্রি করেছি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে।’
খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে
মঙ্গলবার এলাকায় ভ্যানগাড়িতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা কেজিতে। এরকম ভ্রাম্যমাণ পেঁয়াজ বিক্রেতা বলেন, গত দুই-তিন দিন ৯০, ১০০, ১০৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। আজ দাম কমে গেছে।
তবে পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানে আজও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। বিক্রেতারা জানান, তারা আগের দামে পেঁয়াজ কিনেছেন। তাই কম দামে বিক্রি করতে পারছেন না। বেশি দামে কেনা পেঁয়াজ শেষ হলেই বর্তমান দামে বিক্রি করবেন।
আমদানির খবর শুনে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। আরও কমবে। সিন্ডিকেট যারা করছে, তাদের লস হওয়া দরকার ছিল। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমছে। এটা একটা ভালো খবর।