বিশ্ব শান্তি কনফারেন্সে ‘ঢাকা ঘোষণা’ গৃহীত

ঢাকা ঘোষণা’ গৃহীত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দুদিনব্যাপী ‘বিশ্ব শান্তি কনফারেন্স’। রবিবার সমাপনী অনুষ্ঠানে ১৬-দফা ঢাকা ঘোষণা গৃহীত হয়। ওই ঘোষণায় ফুটে উঠেছে শান্তি নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে অনুষ্ঠিত এই কনফারেন্সে বিশ্বব্যাপী শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শান্তির জন্য বঙ্গবন্ধুর অবিস্মরণীয় কাহিনিও বিশ্বকে জানানোর প্রয়াস পেয়েছে বাংলাদেশ।
এবারের কনফারেন্সের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে শান্তিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া’।সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী গো চক টং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বক্তব্য রাখেন।
দুদিনে মোট চারটি সেশনে প্রচুর বক্তা যা বলেছেন সেটির সমন্বয়ে ঢাকা ঘোষণা তৈরি করা হয়। এই কনফারেন্সের বড় সাফল্য হলো বাংলাদেশের মতো দেশ এ ধরনের আয়োজন করতে পারে সেটি একদিকে যেমন প্রশংসা হয়েছে, অন্যদিকে এটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য অনুরোধও জানান আমন্ত্রিত অতিথিরা।
ঢাকা ঘোষণার ১৬ নম্বর প্যারায় বলা হয়েছে, শান্তি ও বন্ধুত্বের বার্তা বৈশ্বিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানকে বাংলাদেশ আমলে নিয়েছে। একইসঙ্গে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে এ ধরনের আরও অনুষ্ঠান করার বিষয়টিও উল্লেখ আছে ঘোষণায়।
সম্মেলনে সশরীর ও ভার্চুয়াল উপস্থিতি মিলিয়ে পঞ্চাশটির বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এরমধ্যে ৩০টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ৬০ জন অতিথি বাংলাদেশে আসেন। প্রায় ৪০ জনের মতো অতিথি ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হন।