বিএনপির সমাবেশের আগে-পরে পরিবহন ধর্মঘট দেবেন না: ওবায়দুল কাদের

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান এবং পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ডিসেম্বরে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশের আগে ও পরে আপনারা পরিবহন ধর্মঘট দেবেন না। কিন্তু তারপরও তারা (বিএনপি) তিন দিন আগে থেকেই হাড়ি-পাতিল ও মশার কয়েল নিয়ে আগে থেকেই অবস্থান নেবে। সোমবার দুপুরে দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন ও শাজাহান খান, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, সদস্য ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সফুরা বেগম রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, সাবেক মন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী, মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি, শিবলী সাদিক এমপি ও অ্যাডভোকেট জাকিয়া তাবাসসুম জুঁই এমপি বক্তব্য রাখেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনার বাড়ি তো ঠাকুরগাঁওয়ে। সমাবেশ কাকে বলে তা আজকে দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ও সমাবেশে দেখে যান। আপনারা কথায় কথায় বলেন, আপনাদের সমাবেশে ঢল নেমেছে, তরঙ্গ নেমেছে। কিন্তু ঢল কাকে বলে, নদী আর সাগরের তরঙ্গ কাকে বলে তা আজকে দিনাজপুরে এসে আপনি দেখে যান। আপনারা সমাবেশের তিন দিন আগে থেকে হাড়ি-পাতিল, বিছানা-বালিশ নিয়ে নাটক শুরু করেন। সেই নাটকের অংশ থাকে মশার কয়েল। আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরে খেলা হবে। এবার খেলা হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে, হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, হাজার হাজার কোটি টাকা যারা বিদেশে পাচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে। ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো নির্বাচন আর হবে না। সুষ্ঠু ভোট হবে। শেখ হাসিনা নির্বাচনের সময় রুটিন দায়িত্ব পালন করবেন। সে সময় একটা নিরপেক্ষ ভোট হবে।