বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সেই প্রধান শিক্ষক ওএসডি

বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবককে বিচারকের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে তাকে পদায়ন করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয় জনস্বার্থে এ বদলি করা হয়।
গত ২০ মার্চ অষ্টম শ্রেণির ক্লাস রুম রুটিন মাফিক ঝাড়ু দেওয়ার কথা ছিল অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রুবাইয়া ইয়াসমিনের মেয়ের। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী ঝাড়ু দিতে অস্বীকৃতি জানায়, এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি এবং ফেসবুকে বাদানুবাদের ঘটনা ঘটে।
ছাত্রীদের অভিযোগ, এই ঘটনার জের ধরে পর দিন ২১ মার্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে একজন অভিভাবককে বিচারকের পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। বিষয়টি স্কুলে ছড়িয়ে পড়লে ছাত্রীরা স্কুল থেকে বেরিয়ে প্রতিবাদ জানায়। প্রধান শিক্ষকের দ্রুত অপসারণ দাবি করে শিক্ষার্থীরা। পরে জেলা প্রশাসক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ঘটনার তিন দিন পর গত ২৩ মার্চ জেলা প্রশাসক ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়। এই ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রুবাইয়া ইয়াসমিনকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হলো।