ফিলাডেলফি করিডোর থেকে সেনা সরাতে রাজি ইসরায়েল

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার সঙ্গে মিসরের ফিলাডেলফি করিডোর থেকে সেনা সরাতে রাজি হয়েছে ইসরায়েল। এই সীমান্তে সেনারা অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান করেবেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের এই তথ্য জানিয়েছেন ইসরায়েলি আলোচকরা। তারা বলেন, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) সেনাদের সরিয়ে নেবে। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদন স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এই খবর জানিয়েছে।
মঙ্গলবার হ্রিবু পত্রিকাগুলোর খবরে বলা হয়, সম্প্রতি ইসরায়েলি আলোচকরা মধ্যস্ততাকারীরাদের বলেছিলেন, তারা এখনও যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে ফিলাডেলফি করিডোর থেকে আইডিএফ সেনাদের সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারের প্রস্তাবটিকে সমর্থন করে। যদিও সেখানে অনির্দিষ্টকালের জন্য সামরিক সেনা মোতায়েন রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেজের প্রতিবেদন উল্লেখ করে টাইমস অব ইসরায়েলকে একজন আরব কূটনীতিক বলেন, সোমবার নেতানিয়াহুর সংবাদ সম্মেলনের আগে, কাতারি প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুলরাহমান আল থানিকে ফিলাডেলফি করিডোর নিয়ে তেহরানের অবস্থান জানাতে মোসাদের প্রধান ডেবিড বার্নিয়া জরুরিভিত্তিতে দোহায় যান।
আলোচনার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র হারেজকে বলেছে, চূড়ান্ত মার্কিন প্রস্তাবে, যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে করিডোরে ইসরায়েলি সেনা কমিয়ে আনার আহ্বান জানানো হবে এবং দ্বিতীয় ধাপে সেনাদের প্রত্যাহার করা হবে।
সোমবার সরাসরি প্রকাশিত একটি ভাষণে নেতানিয়াহু যুক্তি দিয়েছিলেন, ১৪ কিলোমিটার (নয় মাইল) প্রসারিত সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারের অনুমতি দেওয়া হলে, গাজায় ও সীমান্তে আবারও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম ও সুড়ঙ্গ খননের অস্ত্রগুলো পাচার করা হবে। এসময় জিম্মিদের পাচার হওয়ার আশঙ্কা বেশি বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।