পুলিশ সাধারণ মানুষের আস্থা-ভালোবাসা অর্জন করেছে: আইজিপি

আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘আমরা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদসহ যেকোনও আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করেছি। এর ফলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আস্থার জায়গাটা ধরে রাখার জন্য প্রস্তুত আছি।’
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমার সর্বশেষ প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে কামারপাড়া সেতু সংলগ্ন বিদেশি খিত্তার পাশে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিশেষ শাখার এডিশনাল অইজিপি মনিরুল ইসলাম, এডিশনাল অইজিপি টুরিস্ট পুলিশের প্রধান হাবিবুর রহমান, পুলিশ সদর দফতরের এডিশনাল অইজিপি আতিকুল ইসলাম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আইজিপি বলেন, আমরা সবসময় বলে থাকি পুলিশ লাইফ ইট ইজ অ্যা চ্যালেঞ্জিং লাইফ, এভরিডে ইজ ইউ ডে, কোন দিন কোন চ্যালেঞ্জ থাকবে, অর্থাৎ প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ আমাদের জানা থাকে। এরপরও প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মেকাবিলা করে থাকি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিজনিত যেকোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মতো সক্ষমতা, দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ রয়েছে। এটা দিয়ে আমরা আগামী দিনের যেকোনও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই।
আগামী ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি ইজতেমার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে এবং ২০, ২১ ও ২২ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্ব হবে। মাওলানা যোবায়ের প্রথম পর্বে এবং মাওলানা সাদ কান্ধালভীর অনুসারীরা দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন।
চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে বসে কথা বলেছি। তাদের মধ্যে যে মতবিরোধ আছে সেটা নিরসনের জন্য আমরা আহ্বান জানিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, তারা সবাই মিলে আমাদের কথা দিয়েছে, এই অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পালনে যথাযথভাবে এক পক্ষ অপর পক্ষকে সহযোগিতা করবে। তিনি বলেন, বিদেশি নাগরিক যারা আসে তাদের জন্য বিমানবন্দরে ইজতেমা কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি থাকে, তারা তাদের সহযোগিতা করে নিয়ে আসে। তারা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন, আমাদের ইমিগ্রেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে, তারা যাতে আমাদের দেশে সুন্দরভাবে আসতে পারেন এবং ইমিগ্রেশনে যেন কোনও ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে না পারে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থা যেন সুগম হয়, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ যারা রয়েছে তাদের ম্যাপ করে দেওয়া হয়েছে। তারা কীভাবে ইজতেমা মাঠে আসবেন বিভিন্ন পয়েন্টে তাদের জন্য নির্দেশনা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি পয়েন্টেও গাড়ি রাখার জন্য বিস্তারিত রাস্তায় প্যানা ফ্লেক্সের মাধ্যমে টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের উৎপাত যেন না হয়; এ ধরনের ছোট ছোট প্রেট্রোল পার্টি থাকবে, টুরিস্ট পুলিশ থাকবে যাতে পর্যটক বা বিদেশি অতিথি যারা আসেন তাদের যেন কোনও ধরনের সমস্যা না হয়।