জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ১-১ সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিনিয়ররা না থাকায় টি-টোয়েন্টি সিরিজটা তরুণদের জন্য ছিল অগ্নি পরীক্ষার। প্রথম ম্যাচ হেরে প্রত্যাশা মেটানো যায়নি। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে স্বরূপে ফিরলো সেই তারুণ্য। বোলিংয়ে মোসাদ্দেকের ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেটের পর তরুণ ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ১৫ বল হাতে রেখেই জিতলো দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারানোয় ১-১ সমতাও ফিরিয়েছে সোহানের দল।
স্বাগতিকদের ছুড়ে দেওয়া ১৩৬ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে কখনোই দিশাহীন মনে হয়নি। বরং লক্ষ্যে ছিল অবিচল। শুরুতে লিটন-মুনিম গড়েন ৩৭ রানের জুটি। তারপর এনামুল-লিটন ৪১ এবং পরে নাজমুল শান্ত ও আফিফের অবিচ্ছিন্ন ৪৮ রানের জুটিই জয় পেতে অবদান রেখেছে।
ঘুরে দাঁড়াতে শুরুটাও দুর্দান্ত ছিল বাংলাদেশের। পাওয়ার প্লেতে যোগ করেছে ৫৩ রান। পঞ্চম ওভারে ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার (৭) সাজঘরে ফিরলেও তাতে ছন্দপতন ঘটতে দেননি লিটন দাস। রান তুলেছেন পরিস্থিতির চাহিদা মেনে। মারকুটে ভঙ্গিতে খেলে পাওয়ার প্লেতে সমৃদ্ধ করছেন স্কোরবোর্ড। এই গতিতে খেলে ৩০ বলে তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটিও। দলীয় ৭৮ রানে শন উইলিয়ামস এই ওপেনারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেললে ছন্দপতন ঘটে ইনিংসের। লিটন ৩৩ বলে ৫৬ রান করে ফিরেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ২টি ছয়।
কিছুক্ষণ পর ফিরে যান এনামুল হক বিজয়ও। এই ব্যাটার আজকেও বেশি অবদান রাখতে পারেননি। ১৫ বলে ১৬ রান করেছেন। এরপর অবশ্য বিপদ ঘটতে দেননি নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেন। ১৭.৩ ওভারে নিশ্চিত করেছেন জয়। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শান্ত ২১ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থেকেছেন। ২৮ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন আফিফ হোসেনও।
একপ্রান্ত আগলে ৫৩ বলে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেছেন সিকান্দার রাজা। তার সঙ্গে ৬৫ বলে ৮০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে অবদান রাখেন রায়ান বার্লও। ৩২ রান করা রায়ার্ন বার্লকে ফিরিয়ে এই জুটি ভেঙেছেন হাসান মাহমুদ। এই জুটি ভাঙলে সিকান্দার রাজাও ফিরেছেন তারপর। ৫৩ বলে ৬২ রান করা এই ব্যাটারকে বিদায় দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। রাজার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়।
ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করা মোসাদ্দেক ২০ রানে নেন ৫ উইকেট। ম্যাচসেরাও তিনি। মোস্তাফিজুর রহমান ৩০ রানে নিয়েছেন ১টি। হাসান মাহমুদও ২৬ রানে ১টি উইকেট নিয়েছেন।