বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আমরা অনেককে গ্রেফতার করেছি। তারা আমাদের অনেক নাম দিয়েছে। যারা জড়িত সকলের নাম আছে। সময় হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভিসি চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। হারুন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেলের স্লিপার খুলতে পারে না, মেট্রো স্টেশন ভাঙচুর করতে পারে না, হাইওয়েও আটকাতে পারে না। বিশেষ একটি মহল তাদের ওপর ভর করে এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে। জড়িত সবার নাম আছে, সময় হলে ব্যবস্থা: ডিবি হারুন কোটা আন্দোলনের কর্মসূচি বিএনপি-জামায়াত ঠিক করে দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ ছাত্রদের হাতে নেই ঢাকায় বৃহস্পতিবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক হল ছাড়ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা ঢাবি ক্যাম্পাসজুড়ে পুলিশ, হলগুলো ফাঁকা সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ড ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায় আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সব হলে যুগোপযোগী নিয়ম চান ঢাবির ছাত্রীরা

ভয়েসবাংলা প্রতিবেদক / ৪০৬ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হলে শিক্ষার্থীবান্ধব ও যুগোপযোগী অভিন্ন নিয়মের দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা।

এতে লিখিত বক্তব্য রাখেন শামসুন নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি। উপস্থিত ছিলেন শামসুন নাহার হল সংসদের সাবেক জিএস আফসানা ছপা, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা তাহসিন, সাবেক সাহিত্য সম্পাদক অরনিমা তাহসিন, সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরা শারমিন, সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক রিপা কুন্ডু, সাবেক সংস্কৃতি সম্পাদক দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী।

তাসনিম আফরোজ ইমি বলেন, আমরা বরাবরই চেয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের প্রতি যে বৈষম্যমূলক আচরণ প্রশাসন করে আসছে, তার অবসান হোক। এর প্রেক্ষিতেই উপাচার্য স্যারের কাছে আমাদের চারদফা দাবি আমরা পেশ করেছিলাম, যার প্রত্যেকটিই আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রথম দাবিটি প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং-এ মেনে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাকি তিনটি দাবি মানা হয়নি। বাকি দাবিগুলোও নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণেরই প্রতিফলন। তাই আমরা আমাদের প্রত্যেকটি দাবির বাস্তবায়ন চাই।

ছাত্রীদের বাকি ৩টি দাবি হলো—শিক্ষার্থীদের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের মর্যাদা রক্ষার্থে সকল ছাত্রী হলে ‘‘লোকাল গার্জিয়ান/স্থানীয় অভিভাবক’ এর পরিবর্তে ‘ইমার্জেন্সি কন্টাক্ট/জরুরি যোগাযোগ’ শব্দটি প্রবর্তন করতে হবে; আবাসিক শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দ্বারা যেকোনো ধরনের হয়রানি এবং অসহযোগিতামূলক আচরণ বন্ধ করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে; এবং শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকা সাপেক্ষে অনাবাসিক ছাত্রীদের হলে প্রবেশের অধিকার পুনর্বহাল করতে হবে এবং জরুরি প্রয়োজনে তাদের হলে অবস্থান করতে দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর