বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আমরা অনেককে গ্রেফতার করেছি। তারা আমাদের অনেক নাম দিয়েছে। যারা জড়িত সকলের নাম আছে। সময় হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভিসি চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। হারুন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেলের স্লিপার খুলতে পারে না, মেট্রো স্টেশন ভাঙচুর করতে পারে না, হাইওয়েও আটকাতে পারে না। বিশেষ একটি মহল তাদের ওপর ভর করে এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে। জড়িত সবার নাম আছে, সময় হলে ব্যবস্থা: ডিবি হারুন কোটা আন্দোলনের কর্মসূচি বিএনপি-জামায়াত ঠিক করে দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ ছাত্রদের হাতে নেই ঢাকায় বৃহস্পতিবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক হল ছাড়ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা ঢাবি ক্যাম্পাসজুড়ে পুলিশ, হলগুলো ফাঁকা সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ড ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায় আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মুশফিককে সতর্ক করলো বিসিবি, মিডিয়ায় কথা বলা নিষেধ

ভয়েসবাংলা প্রতিবেদক / ১০৭ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১

মিডিয়ায় কথা বলায় মুশফিকুর রহিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ফলে শুক্রবার বিকালে তার ডাক পড়ে বিসিবিতে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে হাজিরও হয়েছিলেন। ব্যাখ্যা শোনার পর আপাতত তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে বিসিবি। পাশাপাশি এও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এখন মিডিয়ায় কোনও কথা বলা যাবে না! 

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজে মুশফিককে বাধ্যতামূলক বিশ্রামে পাঠিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। বাসায় বসে খেলা দেখার কথা থাকলেও শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খানের রুম থেকেই দলের পরাজয় দেখেছেন।

মূলত ঘটনার সূত্রপাত দল ঘোষণার পর থেকে। অভিজ্ঞ মুশফিকসহ সৌম্য, লিটন, রুবেলকে বাদ দিয়ে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা করেন নির্বাচকরা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন দল ঘোষণার পর বলেছিলেন, ‘টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওকে বিশ্রাম দিয়েছি।’ আরও বলা হয়, মুশফিকের চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বিশ্রাম। কিন্তু মুশফিক কয়েকটি গণমাধ্যমে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন এরপর। জানান, এত বড় খেলোয়াড় হয়ে যাননি যে তার বিশ্রামের প্রয়োজন আছে বা বিশ্রাম চাইতে পারেন। মুশফিক সোজাসাপ্টা বলেন, আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তারই পরিপ্রেক্ষিতে অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারকে শুনানিতে ডাকা হয়। যেখানে আকরাম খান, প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনসহ নির্বাচকরাও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন আলোচনার পাশাপাশি মিডিয়ায় মুশফিকের বক্তব্য নিয়েও কথা ওঠে। মুশফিক নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

যদিও এ ব্যাপারে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মুশফিকও এ বিষয়ে এখন মুখ বন্ধ করে বসে আছেন। তবে এই ঘটনা নিয়ে বিকেএসপির ক্রিকেট উপদেষ্টা নাজমুল আবেদীন ফাহিম বলেছেন, মুশফিককে বিশ্রাম দিতেই পারে। যেহেতু সামনে চারটা টেস্ট আছে। বিশ্বকাপে ভালো খেলতে পারেনি এই প্রেসারে থাকবে। কিন্তু যাই করা হোক না কেন, ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলা উচিত। কথা না বলে হুট করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া মোটেও উচিত নয়। আমরা ভালো একটা পরিবেশ তৈরি করে ওকে বিশ্রামে পাঠাতে পারি। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়। কিন্তু সেটি হয়েছে কিনা আমি নিশ্চিত নই। আমরা কখনোই খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেই না। সবকিছু যেন চাপিয়ে দেই। আমাদের কাছে খেলোয়াড় মানেই পেইড পিউপল। যা বলা হবে তা-ই করতে হবে। ব্যাপারটা মোটেও সেটা না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর