বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আমরা অনেককে গ্রেফতার করেছি। তারা আমাদের অনেক নাম দিয়েছে। যারা জড়িত সকলের নাম আছে। সময় হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভিসি চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। হারুন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেলের স্লিপার খুলতে পারে না, মেট্রো স্টেশন ভাঙচুর করতে পারে না, হাইওয়েও আটকাতে পারে না। বিশেষ একটি মহল তাদের ওপর ভর করে এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে। জড়িত সবার নাম আছে, সময় হলে ব্যবস্থা: ডিবি হারুন কোটা আন্দোলনের কর্মসূচি বিএনপি-জামায়াত ঠিক করে দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ ছাত্রদের হাতে নেই ঢাকায় বৃহস্পতিবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক হল ছাড়ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা ঢাবি ক্যাম্পাসজুড়ে পুলিশ, হলগুলো ফাঁকা সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ড ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায় আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নির্বাচন পরিচালনায় সেনাবাহিনী চায় বাংলাদেশ ন্যাপ

ভয়েসবাংলা প্রতিবেদক / ১৫০ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২২

সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগী শক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ। মঙ্গলবার বঙ্গভবনে আয়োজিত নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সংলাপে এ প্রস্তাব দেয় জেবেল রহমান গানির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাপ।  সংলাপে অংশগ্রহণ করে তারা তিন দফা প্রস্তাব দেয় রাষ্ট্রপতিকে। প্রতিনিধি দলে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানির সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব আতিকুর রহমান, কৃষক মো. মহসীন ভুইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া ও মিতা রহমান।

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে দেওয়া প্রস্তাবে দলটি উল্লেখ করে—বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন পরিচালনা করে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর সময় এসেছে সশস্ত্র বাহিনীকে দেশের নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগী শক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা।

আলোচনা শেষে বেরিয়ে এসে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও আমরা নির্বাচন কমিশন আইন প্রণয়ন করতে পারিনি। যা এযাবৎকালের সব শাসকগোষ্ঠীর চরম ব্যর্থতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই দীর্ঘ সময় পরও সরকারগুলো জনগণের আস্থা অর্জনের মতো একটি গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ নির্বাচনি ব্যবস্থা প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের আহ্বান করতে হয়, জাতি হিসেবে এটা লজ্জার।

গানি বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ মনে করে, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া অর্থবহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। বারবার এই কমিশন নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া রাষ্ট্রের জন্য শুভ নয়। তাই নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে  রাষ্ট্রপতি দ্রুততম সময়ে সংবিধানের ১১৮ বিধি বাস্তবায়নে আইনের বিধানাবলি অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করার বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশা রাখি।

রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া প্রস্তাবে ন্যাপ উল্লেখ করেছে—নির্বাচন কমিশনকে একটি আধুনিক ইলেকটোরাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএমএস) অর্থাৎ একটি আধুনিক নির্বাচন ব্যবস্থা বা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। বর্তমান বিশ্বে তদারকি (মনিটরিং) ও নিরাপত্তার জন্য নানাবিধ প্রযুক্তি সহজলভ্য। প্রতিটি নির্বাচনি কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা সম্ভব। যেমন- পিপলস কাউন্টিং মেশিন, সিসিটিভি/আইপি ক্যামেরা, রেকর্ডিং ও লাইভ স্ট্রিমিং প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর