বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে আমরা অনেককে গ্রেফতার করেছি। তারা আমাদের অনেক নাম দিয়েছে। যারা জড়িত সকলের নাম আছে। সময় হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। বুধবার (১৭ জুলাই) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ভিসি চত্বরে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এসব কথা বলেন। হারুন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেলের স্লিপার খুলতে পারে না, মেট্রো স্টেশন ভাঙচুর করতে পারে না, হাইওয়েও আটকাতে পারে না। বিশেষ একটি মহল তাদের ওপর ভর করে এমন কার্যক্রম চালাচ্ছে। জড়িত সবার নাম আছে, সময় হলে ব্যবস্থা: ডিবি হারুন কোটা আন্দোলনের কর্মসূচি বিএনপি-জামায়াত ঠিক করে দিচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ ছাত্রদের হাতে নেই ঢাকায় বৃহস্পতিবার মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক হল ছাড়ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা ঢাবি ক্যাম্পাসজুড়ে পুলিশ, হলগুলো ফাঁকা সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা আন্দোলনকারীদের হত্যাকাণ্ড ও অনভিপ্রেত ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায় আসা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

কোটা ও পেনশন স্কিম বাতিলের আন্দোলনে বিএনপির সমর্থন

ভয়েস বাংলা প্রতিবেদক / ৬ বার
আপডেট : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে যৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তাতে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে জাতীয় পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে শিক্ষকদের আন্দোলনেও সমর্থন জানিয়ে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে দলটি। শনিবার (৬ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কোনও শ্রেণিতেই কোটা পদ্ধতি মেধা বিকাশে সহায়ক হতে পারে না। মেধাভিত্তিক বৈষম্যহীন জাতি ও সমাজ বিনির্মাণ মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, বর্তমান কতৃত্ববাদী সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো দমিয়ে রাখার পুরোনো কৌশলে ছাত্রসমাজের যৌক্তিক আন্দোলনকে দমানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, একবিংশ শতাব্দীর এই সময়ে এসে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় টিকে থাকতে হলে মেধাভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনও বিকল্প নেই। এ জন্য সাধারণ ছাত্র সমাজের কোটা সংস্কার আন্দোলনের যৌক্তিক দাবির সঙ্গে আমারা একমত।
সর্বজনিন পেনশন স্কিম সরকারের দুর্বল আর্থিক খাত মেরামতের একটা কৌশল মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্রীয় কোষাগার প্রায় শূন্য, ব্যাংকিং খাত প্রায় দেউলিয়া। এ রকম লুটেরা তন্ত্রকে টিকিয়ে রাখার জন্য পেনশন স্কিমের মতো আরও স্কিম চালু করে জনগণের পকেট শূন্যে করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, সরকার তথাকথিত উন্নয়নের নামে জনগণের ঘাড়ে ব্যয়ের বোঝা চাপাচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের বুলি যদি এতই শক্তিশালী হয়, তাহলে পেনশন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা। জনগণ পেনশন স্কিমসহ সরকারের সব প্রকল্প প্রত্যাখ্যান করছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের যৌক্তিক আন্দোলন সমর্থন করছি। অবিলম্বে পেনশন স্কিম প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর