সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি কোপায় আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ইংল্যান্ড-স্পেন মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তহত্যার প্রচেষ্টা নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না : প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ওপর হামলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ট্রাম্পের হামলাকারীর নাম পরিচয় জানালো এফবিআই

কারখানা থেকে ফোন দিয়ে বলেছে, ‘ফিরতেই হবে’

রিপোর্টার / ২০৩ বার
আপডেট : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

লকডাউনের মধ্যে পোশাকসহ অন্যান্য কারখানা খোলার ঘোষণায় সারাদেশ থেকে শ্রমিকরা নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরা শুরু করেছেন। শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ফেরিতে গাদাগাদি করে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে আসতে দেখা যায় তাদের। দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার যাত্রীরা এ নৌ রুটে যাতায়াত করেন।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ছোট ছোট বাহনে চড়ে তাদের বাংলাবাজার ফেরি ঘাটে আসতে দেখা গেছে। লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরিতে গাদাগাদি করে তারা পদ্মা পার হচ্ছেন। শিমুলিয়া ঘাটে এসেও অটোরিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেলে চড়ে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের জেলার উদ্দেশে রওনা হতে দেখা যায়।

ময়মনসিংহের ভালুকার উদ্দেশে ভোরে নিজ গ্রাম থেকে রওনা দিয়েছেন গার্মেন্টকর্মী মামুন। ফেরিতে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দেওয়ার পর তার সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘গতকাল অফিস থেকে ফোন দিয়ে যেতে বলেছে। গণপরিবহন বন্ধ। অটোরিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে গন্তব্যে যাচ্ছি। অনেক ভিড় তবু আমরা যেতে বাধ্য। চাকরির ভয়ে (চাকরি বাঁচাতে) যেতে হচ্ছে। তবে, লকডাউন শেষ হওয়ার পর কারখানা খুললে ভালো হতো।’

নিরাপত্তাকর্মী দুলাল থাকেন ঢাকার রামপুরায়। তাকেও তার অফিস থেকে ফোন করে কর্মস্থলে যেতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চাকরি করি। তাই নানা ভোগান্তির মধ্যেও কর্মস্থলে যাচ্ছি। বাস চালু করে দিলে ভালো হতো।’

আসাদ নামের আরেক গার্মেন্টকর্মী বলেন, ‘যতটা কষ্ট করে ঘাট পর্যন্ত এসেছি, তাতে মনে হয় গার্মেন্ট এখন খোলা ঠিক হয়নি। গার্মেন্ট খুললে আমাদের যেতেই হবে। আমাদের আর কোনও উপায় নেই। এ পর্যন্ত আসতে যত ভোগান্তিতে পড়েছি, জীবনেও এত ভোগান্তিতে পড়িনি। সহযাত্রী অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমার কর্মস্থল গাজীপুর। দেখি কিভাবে বাকী পথ যেতে পারি!’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আগেরবারের তুলনায় দ্বিগুণ ভাড়া দিচ্ছি।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) উপমহাব্যবস্থাপক (এজিএম) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শিমুলিয়া ঘাট থেকে যেসব ফেরি বাংলাবাজার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছে, সেগুলোতে তেমন ভিড় নেই। তবে বাংলাবাজার ঘাট থেকে আসা ফেরিতে যাত্রীর ভিড় আছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর