সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি কোপায় আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ইংল্যান্ড-স্পেন মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তহত্যার প্রচেষ্টা নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না : প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ওপর হামলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ট্রাম্পের হামলাকারীর নাম পরিচয় জানালো এফবিআই

ওমিক্রনে শনাক্তদের কন্টাক্ট ট্রেসিং করা হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভয়েসবাংলা প্রতিবেদক / ২৭৬ বার
আপডেট : শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, জিম্বাবুয়ে ফেরত বাংলাদেশি দুই নারী ক্রিকেটার করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন।দুজনই স্বাভাবিক আছেন, কারও কোনও ধরনের জটিল উপসর্গ নেই। তাদের সংস্পর্ষে যারা এসেছিলেন তাদেরও শনাক্ত করা হয়েছে। আমরা কন্টাক্ট ট্রেসিং করছি, সবাইকে পরীক্ষার আওতায় এনেছি। যারা সঙ্গে ছিল বা সংস্পর্শে এসেছে, সবার পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শনিবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জিম্বাবুয়ে থেকে আসা আমাদের দুই নারী ক্রিকেটার; যাদের শরীরে ওমিক্রন ভাইরাস পাওয়া গেছে, তাদের আমরা কোয়ারেন্টিনে রেখেছি এবং তারা সুস্থ আছে। তাদের যা যা চিকিৎসা দরকার সেগুলো ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঝে মাঝেই পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে কী অবস্থায় আছে। পুরোপুরি সেরে উঠতে হয়তো কিছু দিন সময় লাগবে। অন্তত ২ সপ্তাহ লাগবে। পুরোপুরি যখন সেরে উঠবে তখনই আমরা তাদের ছাড়তে পারবো।

দেশের বাইরে থেকে যারা আসবেন তাদের সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আফ্রিকার বাইরে ৬২টা দেশে এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে এই ওমিক্রন ভাইরাস। এটি খুবই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু উপসর্গটা মৃদু। এখন পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর সংবাদ আমরা পাইনি। ডেলটা ভাইরাসের থেকে বেশি ক্ষতিকারক নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ডব্লিউএইচও বলেছে— আমরা যে টিকা ব্যবহার করছি, এই টিকাও ওমিক্রন দমনে কিছুটা কাজ করে। যেসব টিকা আমরা ব্যবহার করছি, সেগুলোর প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। সে জন্য আমরা চাইবো, যারা এখনও টিকা নেয়নি তারা তাড়াতাড়ি যেন টিকা নেয়। আমরা প্রায় ৭ কোটির মতো টিকা দিয়েছি। দ্বিতীয় ডোজ ৪ কোটির মতো হয়েছে। টিকা নেওয়ার আগে যে আগ্রহ ছিল, আমরা দেখছি এখন ভাটা পড়েছে। যারা টিকা নিচ্ছে তারা কিন্তু তেমন অসুস্থ হচ্ছে না। আমাদের হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কম, মৃত্যুর সংখ্যা খুবই কম। দুদিন আগে শূন্য ছিল, গতকাল ১ ছিল। টিকার ব্যবস্থার ফলেই এ পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে। দেশের বিশেষজ্ঞরা আগে থেকেই এ বিষয়ে আশঙ্কা করে বলে আসছেন, সচেতন না হলে বাংলাদেশেও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে এই ভ্যারিয়েন্টটি।

প্রসঙ্গত, গেল ৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনার এই ভ্যারিয়েন্টটি এরই মধ্যে অর্ধশতাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বা উদ্বেগজনক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত এই ভ্যারিয়েন্টটি সম্পর্কে এক প্রাথমিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, ডেলটা ও বেটা ধরনের তুলনায় ওমিক্রনের পুনরায় সংক্রমিত করার ক্ষমতা তিনগুণ বেশি। আগে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও ভেঙে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে বলেও ওই গবেষণাটিতে বলা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর