সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি কোপায় আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ইংল্যান্ড-স্পেন মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তহত্যার প্রচেষ্টা নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি তিন হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ইইউভুক্ত চার দেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে না : প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ওপর হামলায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ট্রাম্পের হামলাকারীর নাম পরিচয় জানালো এফবিআই

এমপি ফিরোজের বিরুদ্ধে মামলা, সাক্ষী নানক

আদালত প্রতিবেদক / ৩১৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি আমলে নেবেন নাকি তদন্তের নির্দেশ দেবেন এ বিষয়ে আগামী ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বাউফল উপজেলার বাউফল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহিদুল হক (৪৬) মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আমলি আদালতে মামলাটি করেন। ১৯৭৯ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন আ স ম ফিরোজ। এ পর্যন্ত সাতবার তিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আ স ম ফিরোজ বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মানহানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত মামলা আমলে নেবেন কিনা তা ১৯ ডিসেম্বর জানা যাবে। অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে মামলাটি পরিচালনা করবেন সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম।।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১০ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় অফিসে বসে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর ছবিতে জুতা-ঝাটা লাগিয়ে আনন্দ মিছিল করেছি। তাতেই কিছু হয়নি, আর বাউফল আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা যারা আমার বিরুদ্ধে রয়েছে, তাদের মধ্যে ডজন খানেক খুন করলেও আমার (আ স ম ফিরোজ) কোনও ক্ষতি হবে না। ওই দিন বাদী সেখানে উপস্থিত থেকে এই কথা শুনে শিউরে ওঠেন এবং পরবর্তী সময়ে তিনি ৭৫ সালের সেই ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন। এরপর ১২ ডিসেম্বর বাউফল থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা নেয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আদালতে নালিশি মামলাটি করেন।

মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৯৭৫ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও ১৯৭৫ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান আলতাফ হোসেন ভুলু, বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ফরাজীসহ ১০ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর